গুগল গত ২৬ সেপ্টেম্বর তাদের সার্চ ইঞ্জিনের এলগরিদম আপগ্রেড
করেছে যার কোডনেম “হামিংবার্ড”। ওয়েব এ নিয়ে ইতিমধ্যে প্রচুর আলোচনা
সমালোচনা চলছে। সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে ওয়েবমাস্টার, এমনকি সার্চ
ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের মধ্যেও এ নিয়ে অনেক ধরণের তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে সার্চ
ইঞ্জিন ল্যান্ড এ সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত প্রশ্নোত্তর প্রকাশ করেছে।
নিম্নে সেটির অনুবাদ প্রকাশ করা হল:

“সার্চ এলগরিদম” কি?
সার্চ এলগরিদম একটি টেকনিক্যাল টার্ম। কোন একটি সমস্যা সমাধানের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বা ধাপকে এলগরিদম বলা হয়। ওয়েবে যে কোটি কোটি সাইট এবং তথ্য আছে, সেগুলোকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা এবং ইউজার যখন সেগুলো সার্চ দেন তখন বাছাই করে সবচেয়ে কাছাকাছি উত্তর কিংবা সাইটটি দেখানোর জন্যে গুগল যে পদ্ধতিটি ব্যবহার করে সেটিই হল সার্চ এলগরিদম।
হামিংবার্ড কি?
গুগল যে নতুন সার্চ এলগরিদম ব্যবহার করছে সেটার কোডনেম হল “হামিংবার্ড”।
কেন হামিংবার্ড?
এ উত্তরে গুগল বলছে “নিখুত এবং দ্রুততা” বুঝাতেই এই কোডনেম।
তাহলে কি “পেইজরেংক” এলগরিদম ডেড?
না, হামিংবার্ড এলগরিদমে যে দু’শত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কাজ করছে তার মধ্যে অন্যতম একটি মেজর বিষয় হল পেইজরেংক। হামিংবার্ড প্রথমে পেইজরেংকের দিকে খেয়াল করে দেখে সেটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ। কারন পেইজের গুণগত মান এবং এতে ব্যবহৃত ওয়ার্ডের পাশাপাশি অন্যান্য অনেক বিষয়ই সার্চ পরবর্তি রেজাল্ট দেখানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
হামিংবার্ড কখন চালু হয়েছে? আজ?
গুগল জানিয়েছে তারা আজ হতে আরো এক মাস আগে থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে হামিংবার্ড ব্যবহার করা শুরু করেছে। তবে গুগল গত ২৬ সেপ্টেম্বর আনুষ্টানিকভাবে সেটি ঘোষণা দিয়েছে।
“হামিংবার্ড চালু হয়েছে” এর মানে কি?
একটি গাড়ির কথা চিন্তা করুন যেটি ১৯৫০ এর দিকে তৈরী, হয়তো এর ইঞ্জিনটিও অসাধারণ। কিন্তু এর কিছু সমস্যা আছে যেমন ধরুন ফুয়েল ইঞ্জেকশন নেই কিংবা এটি আনলেডেড ফুয়েল ব্যবহার করতে পারে না।
গুগলকেও এমন একটি গাড়ির সাথে তুলনা করুন যেটির ইঞ্জিনে কিছু সমস্যা ছিল। গুগল যখন হামিংবার্ডে সুইচ করলো, তখন তাদের পুরোনো ইঞ্জিনটাকে বদলে সেখানে একটি নতুন ইঞ্জিন যোগ করে দিল এবং কাজটি এত দ্রুততার সাথেই হয়েছে যে, আসলে সেটা কেউ খেয়ালই করেনি।
শেষ কবে গুগল তাদের এলগরিদম বদলেছে?
গুগল ২০১০ সালে “ক্যাফেইন আপডেট” দেয়ার মাধ্যমে তাদের এলগরিদমে এমন বিশাল পরিবর্তন এনেছিল। ক্যাফেইন আপডেট দেয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল তথ্যকে শুধুমাত্র সর্টিং(sorting) না করে indexing এর মাধ্যমে সহজে খুঁজে পেতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করা। তার আগে সর্বশেষ ২০০১ সালে গুগলের এলগরিদমে নাটকীয় পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
তাহলে পেঙ্গুঈন, পান্ডা এবং অন্যান্য আপডেট গুলো দেয়ার উদ্দেশ্য কি?
পান্ডা, পেঙ্গুঈন এবং অন্যান্য যে সকল আপডেট দেয়া হয়েছিল সেগুলো পুরোনো এলগরিদমের আপডেট মাত্র। তারমানে পুরু ইঞ্জিন পরিবর্তন না করে শুধুমাত্র অংশবিশেষ এর পরিবর্তন আনা হয়েছিল। হামিংবার্ড এর ক্ষেত্রে যে আপডেট হয়েছে সেটা বলা যায় পুরু ইঞ্জিনই বদলানো হয়েছে কিন্তু পুরাতন ইঞ্জিনের দরকারি ফাংশনালিটিগুলো যেমন পেঙ্গুঈন, পান্ডা এখানে অক্ষত রাখা হয়েছে।
তারমানে নতুন ইঞ্জিনে পুরাতন পার্টস ব্যবহার করা হচ্ছে?
উত্তরঃ হ্যা এবং না।
কারণ কিছু পার্ট ছিল যেগুলোতে কোন ত্রুটি ছিল না, তাই সেগুলোকে ফেলে দেয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। অন্য পার্টগুলো প্রতিনিয়ত বদলানো হচ্ছে। গুগল বলছে, সাধারন চিন্তায় হিসেব করতে গেলে হামিংবার্ড একটি নতুন ইঞ্জিন যাতে সাজানো গোছানোভাবে পুরাতন এবং নতুন প্রযুক্তি দুটোই ব্যবহার করা হয়েছে।
হামিংবার্ডের মাধ্যমে সার্চ করার ক্ষেত্রে নতুন কি যোগ হচ্ছে?
“কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সার্চ করা” গুগলের দেয়া উদাহরণের মধ্যে অন্যতম একটি উদাহরণ।
আবার ট্র্যাডিশনাল সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে “closest place to buy the iPhone 5s to my home?” লিখে সার্চ দিলে ফোকাস করবে কোন পেজে “buy” এবং “iPhone 5s,” এই শব্দগুলো আছে(উদাহরণস্বরূপ)।
কিন্তু হামিংবার্ড শুধুমাত্র ওয়ার্ডগুলোই খুজবেনা বরং ওয়ার্ডের অর্থ বুঝে সেটার উপর ফোকাস করে সার্চ করবে। আপনি যদি আপনার বাসার লোকেশন গুগলে শেয়ার করেন তবে গুগল place বলতে ধরে নিবে আপনার কাছাকাছি কোন ষ্টোর কিংবা দোকান আবার “iPhone 5s” কে একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস হিসেবে গন্য করবে যেটি কিনা কোন নির্দিষ্ট ষ্টোরে বিক্রয় হচ্ছে। তার মানে গুগল কোন শব্দের উপরই গুরুত্ব দিচ্ছেনা বরং শব্দের অর্থ বুঝে সার্চ করবে। এতে সার্চের রেজাল্ট আগের চেয়ে অনেক নিখুত হবে আশা করা যাচ্ছে।
ভাবছিলাম গুগল “কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সার্চ করা” ফিচারটি ইতিমধ্যে করে ফেলেছে!!!
হ্যা, ফিচারটি ইতোমধ্যে গুগলে যোগ হয়ে গেছে। ফিচারটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্কে দেখতে পারেন।
তবে এটি শুধু ব্যবহারিক জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্নগুলোর উত্তর তার নলেজ গ্রাফ থেকে ভালভাবে দিতে পারবে। পুরো ওয়েবে যে বিলিয়ন বিলিয়ন ওয়েবসাইট আছে সেগুলোতে ব্যবহৃত তথ্যগুলোর অর্থ খুজে বের করে নিখুত সার্চ রেজাল্ট প্রদর্শনের জন্যেই হামিংবার্ড ডিজাইন করা হয়েছে।
ফিচারটি আগের চেয়ে ভাল কাজ করে কি?
আমরা এখনো খুব একটা ভাল বলতে পারছিনা, কারণ ফিচারটি মাত্র চালু করা হল। ব্যবহারকারি এবং বিশেষজ্ঞরা সেটা ব্যবহার করার পরই ভালভাবে জানা যাবে। গুগল যা বলেছে আমরা এখন শুধু ততটুকুই জানি। তবে গুগল কিছু উদাহরণ দিয়েছে যাতে হামিংবার্ডের ইমপ্রুভমেন্ট হয়েছে সেটা বুঝা যায়।
গুগল বলছেঃ ধরুন আপনি “pizza hut calories per slice” লিখে সার্চ দিলে উত্তর পেতেন এমন কিন্তু সেটা পিজ্জা হাটের সাইটের কোন রেজাল্ট নয়। এখন সার্চ দিলে রেজাল্টটি আসবে এমন যেটি পিজ্জা হাটের নিজস্ব সাইট রেফারেন্স।
গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের এমন পরিবর্তন কি গুগলকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে?
মোটামুটি নিশ্চিত করে বলা যায় এমনটি হবে না। কারণ হামিংবার্ড গত একমাস ব্যবহৃত হবার পরই সেটা অফিসিয়ালি ঘোষণা দেয়া হয়েছে। গত একমাসে কাষ্টমারদের কাছ থেকে এমন কোন অভিযোগ শোনা যায়নি যে গুগলের সার্চ রেজাল্ট হটাৎ খারাপ হয়ে গেছে। বরং এটার উন্নতি সাধন করা হয়েছে সেটাই অনেকে খেয়াল করেননি।
তারমানে এসইও’র দিন শেষ?
না, এসইও’র কাজ এখনো শেষ হয়ে যায়নি। বরং গুগল বলছে, এসইও’র ক্ষেত্রে আগে থেকে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। গাইডেন্সও রয়েছে আগের মতই, তবে শর্ত একটাই; কনটেন্ট হতে হবে হাই কোয়ালিটির।
এর মানে কি আমি গুগল থেকে ট্রাফিক হারাব?
আপনার সাইটে যদি গত মাসে লক্ষনীয়ভাবে ট্রাফিক না হারায় তবে বলা যায় আপনার চিন্তা করার তেমন কোন কারণ নেই। সব কিছুর পরেও হামিংবার্ড গত একমাস যাবত চালু আছে, তার মানে গুগলের এ আপডেটের কারণে আপনি যদি কোনরকম ক্ষতিগ্রস্ত হতেন তবে সেটি এতদিনে অবশ্যই বুঝে যেতেন।
কিন্তু আমি ট্রাফিক হারিয়েছি!!!
হতে পারে এর পেছনে হামিংবার্ডই দায়ী। কিন্তু গুগলের মতে এটি এলগরিদমের অন্যান্য অংশ পরিবর্তনের কারণেও হতে পারে যাতে কিনা প্রতিনিয়তই কোন না কোন ভাবে পরিবর্তন, পরিবর্ধন কিংবা উন্নতিসাধন হচ্ছে এবং এটি জানার কোন উপায় নেই।
কিভাবে আমি এই সকল বিষয়গুলো বিস্তারিত জানতে পারবো?
গুগল কিছু প্রেস ইভেন্ট আয়োজন করেছে, ইভেন্টগুলো থেকে হয়তো বিস্তারিত জানা যাবে। গুগলের দুজন শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত সিংহাল এবং বেন গোমেজের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাওয়ার পরই তারা একথা বলেছেন। কবে কোথায় কখন ইভেন্টগুলো অনুষ্ঠিত হবে সেটা জানতে এই এজেন্ডা পেজটি দেখুন।
হামিংবার্ড সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যতটুকু জানতে পেরেছি পুরুটাই শেয়ার করলাম, কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।
আর আপনার জানা কোন তথ্য যা এখানে নেই সেটিও শেয়ার করতে পারেন।
@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@
নিজেকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রমাণ করার পাশাপাশি ওয়েবসাইটের লিংক বিল্ডিং করাকেই অথোরিটি বিল্ডিং বলে। এই অথোরিটি বিল্ডিং চিরাচরিত লিংকবিল্ডিংয়ের চাইতে কয়েকটি কারনে অনেক বেশি কাযকর। অথোরিটি বিল্ডিংয়ে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা সম্ভব হয় অর্থাৎ এভাবে এসইও করলে এসইওর পাশাপাশি অনলাইন মার্কেটিং, ব্রান্ডিং, পাবলিক রিলেশন একই সাথে তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসার প্রসার আরো কয়েকগুন বাড়িয়ে দেয় এবং যার ফলাফল অনেক বেশি দীর্ঘাস্থায়ী হবে। সেই সাথে ওয়েবসাইটে ভিজিটর এবং সার্চ পজিশনও অনেক আপডেট হবে।

আমার আজকের লিখাতে অথোরিটি বিল্ডিংয়ের কাযকরী কিছু পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছি।
১। ব্লগিং: সবসময় মানসম্পন্ন আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লিখবেন। অনেকেই বলে থাকেন ''মানসম্পন্ন কন্টেন্টই হলো এসইওর প্রধান সম্পদ''। এটি কোন ভুল কথা না। মানসম্পন্ন কনটেন্ট আপনার এসইওর ৮০% কাজ সম্পন্ন করে দেয়। যদি আপনারটি কোন ব্লগ সাইট কিংবা যেসব সাইটে নিয়মিত আপডেট করার প্রয়োজন হয়, এ ধরনের কোন সাইট না হয়ে থাকলে সে ক্ষেত্রে কি করবেন? এ ধরনের ওয়েবসাইটে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করলে খুব ভাল ফলাফল পাবেন। আপনি যদি বড় বড় ওয়েবসাইট যেমনঃ 99designs.com, hostgator.com এ প্রবেশ করেন তাহলে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের সাথে একটি ব্লগ দেখতে পারবেন, যেখানে নিয়মিত পোস্ট করা হয়। আরেকটা বিষয় মনে রাখতে হবে, ব্লগিং শুধুমাত্র সাইটের লিংক কিংবা ভিজিটরদের আকর্ষন করার জন্য করা হয়না। আপনার লেখার মানের কারনে কোম্পানীর ব্রান্ডিংয়ের সাথে ফ্রি হিসেবে নিজেরও ব্রান্ডিং হয়ে যাবে। যেই বিষয়ে উপর লিখসেন, সেই ফিল্ডে এক্সপার্ট হিসেবে মানুষের মাঝে নিজের পরিচয় ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ব্লগিং সবচাইতে কাযকরী একটি মাধ্যম। সেই কারনে মানুষ আপনার কাছ থেকে কিছু পাওয়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে। নিজের ব্লগে পোস্ট দেয়ার সাথে সাথে সমান ভাবে গুরুত্ব দিয়ে গেস্টব্লগ সাইটগুলোতেও পোস্ট করতে হবে। সেই সব সাইটগুলোর নিজস্ব ভিজিটরকে নিজের ওয়েবসাইটে তাহলে খুব সহজে নিয়ে আসতে পারবেন।

২। সোশ্যাল মিডিয়াঃ

সামাজিক যোগাযোগ এর সাইট গুলোকে ভালভাবে কাজে লাগান, সেখানে আপনার শক্তিশালী ভুমিকা রাখুন অর্থাৎ মানুষ যাতে আপনাকে খুব অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তি ভাবতে পারে, সেইভাবে নিজের উপস্থিতিকে সবার সামনে তুলে ধরতে হবে। আর ইতিমধ্যে যদি ১নং ধাপ অর্থাৎ ব্লগিং শুরু করে থাকেন, তাহলেতো অবশ্যই টুইটারে প্রতিটি পোস্টকে টুইট শুরু করতেই হবে। নিজের ব্লগের পোস্টকে আরও বেশি মানুষকে পড়ানোর জন্য অর্থাৎ যারা আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগের ভিজিটর না, তাদের মাঝে নিজের পোস্টকে প্রচার করার জন্য টুইটারসহ অন্যান্য বিখ্যাত সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করুন। তাহলে আপনার ব্লগের পাঠক কয়েকগুন বেড়ে যাবে। যেই সোশ্যাল মিডিয়া সাইট অবশ্যই ব্যবহার করবেন, সেগুলো হলোঃ facebook.com, plus.google.com, twitter.com, pinterest.com, linkedin.com । এইসব সোশ্যাল সাইটগুলোতে নিজেকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রমান করার জন্য ভুমিকা রাখুন।
৩। প্রেস রিলিজ প্রকাশঃ মিডিয়াতে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক প্রকাশ করতে পারলে যেইপরিমানে আস্থা এবং পরিচিতি তৈরি করা যায়, আর অন্য মাধ্যমে এত সফলভাবে সেটি করা সম্ভবনা। হতে পারে আপনার লোকাল কোন পত্রিকা কিংবা কোন ব্লগে যেখানে নির্দিষ্ট পাঠক আছে, সেসব জায়গাতে পোস্ট করতে পারলে আপনার ওয়েবসাইটের ভ্যালু অনেক বেড়ে যাবে। অনলাইনের মাধ্যমে এই নিউজ প্রকাশের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। অনলাইনে http://www.helpareporter.com এ ওয়েবসাইটের মত আরও অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের সার্ভিসকে অনলাইন ভিত্তিক প্রেসে দিতে পারবেন। যদি কিছু সংবাদ পাবলিশ করতে পারেন, তাহলে সেগুলো নিয়ে ওয়েবসাইটে প্রেস নামে একটি লিংক করে সেখানে সকল লিংকগুলোকে যুক্ত করলে বেশি উপকৃত হবেন।
নতুন আপডেট নিয়ে যারা বিশাল সমস্যাতে আছেন, তারা আমার ফেসবুক গ্রুপে এসে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারেন। যতটুকু সম্ভব, সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব।
ফেসবুকগ্রুপঃ facebook.com/groups/creativeit/
“সার্চ এলগরিদম” কি?
সার্চ এলগরিদম একটি টেকনিক্যাল টার্ম। কোন একটি সমস্যা সমাধানের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বা ধাপকে এলগরিদম বলা হয়। ওয়েবে যে কোটি কোটি সাইট এবং তথ্য আছে, সেগুলোকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা এবং ইউজার যখন সেগুলো সার্চ দেন তখন বাছাই করে সবচেয়ে কাছাকাছি উত্তর কিংবা সাইটটি দেখানোর জন্যে গুগল যে পদ্ধতিটি ব্যবহার করে সেটিই হল সার্চ এলগরিদম।
হামিংবার্ড কি?
গুগল যে নতুন সার্চ এলগরিদম ব্যবহার করছে সেটার কোডনেম হল “হামিংবার্ড”।
কেন হামিংবার্ড?
এ উত্তরে গুগল বলছে “নিখুত এবং দ্রুততা” বুঝাতেই এই কোডনেম।
তাহলে কি “পেইজরেংক” এলগরিদম ডেড?
না, হামিংবার্ড এলগরিদমে যে দু’শত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কাজ করছে তার মধ্যে অন্যতম একটি মেজর বিষয় হল পেইজরেংক। হামিংবার্ড প্রথমে পেইজরেংকের দিকে খেয়াল করে দেখে সেটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ। কারন পেইজের গুণগত মান এবং এতে ব্যবহৃত ওয়ার্ডের পাশাপাশি অন্যান্য অনেক বিষয়ই সার্চ পরবর্তি রেজাল্ট দেখানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
হামিংবার্ড কখন চালু হয়েছে? আজ?
গুগল জানিয়েছে তারা আজ হতে আরো এক মাস আগে থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে হামিংবার্ড ব্যবহার করা শুরু করেছে। তবে গুগল গত ২৬ সেপ্টেম্বর আনুষ্টানিকভাবে সেটি ঘোষণা দিয়েছে।
“হামিংবার্ড চালু হয়েছে” এর মানে কি?
একটি গাড়ির কথা চিন্তা করুন যেটি ১৯৫০ এর দিকে তৈরী, হয়তো এর ইঞ্জিনটিও অসাধারণ। কিন্তু এর কিছু সমস্যা আছে যেমন ধরুন ফুয়েল ইঞ্জেকশন নেই কিংবা এটি আনলেডেড ফুয়েল ব্যবহার করতে পারে না।
গুগলকেও এমন একটি গাড়ির সাথে তুলনা করুন যেটির ইঞ্জিনে কিছু সমস্যা ছিল। গুগল যখন হামিংবার্ডে সুইচ করলো, তখন তাদের পুরোনো ইঞ্জিনটাকে বদলে সেখানে একটি নতুন ইঞ্জিন যোগ করে দিল এবং কাজটি এত দ্রুততার সাথেই হয়েছে যে, আসলে সেটা কেউ খেয়ালই করেনি।
শেষ কবে গুগল তাদের এলগরিদম বদলেছে?
গুগল ২০১০ সালে “ক্যাফেইন আপডেট” দেয়ার মাধ্যমে তাদের এলগরিদমে এমন বিশাল পরিবর্তন এনেছিল। ক্যাফেইন আপডেট দেয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল তথ্যকে শুধুমাত্র সর্টিং(sorting) না করে indexing এর মাধ্যমে সহজে খুঁজে পেতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করা। তার আগে সর্বশেষ ২০০১ সালে গুগলের এলগরিদমে নাটকীয় পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
তাহলে পেঙ্গুঈন, পান্ডা এবং অন্যান্য আপডেট গুলো দেয়ার উদ্দেশ্য কি?
পান্ডা, পেঙ্গুঈন এবং অন্যান্য যে সকল আপডেট দেয়া হয়েছিল সেগুলো পুরোনো এলগরিদমের আপডেট মাত্র। তারমানে পুরু ইঞ্জিন পরিবর্তন না করে শুধুমাত্র অংশবিশেষ এর পরিবর্তন আনা হয়েছিল। হামিংবার্ড এর ক্ষেত্রে যে আপডেট হয়েছে সেটা বলা যায় পুরু ইঞ্জিনই বদলানো হয়েছে কিন্তু পুরাতন ইঞ্জিনের দরকারি ফাংশনালিটিগুলো যেমন পেঙ্গুঈন, পান্ডা এখানে অক্ষত রাখা হয়েছে।
তারমানে নতুন ইঞ্জিনে পুরাতন পার্টস ব্যবহার করা হচ্ছে?
উত্তরঃ হ্যা এবং না।
কারণ কিছু পার্ট ছিল যেগুলোতে কোন ত্রুটি ছিল না, তাই সেগুলোকে ফেলে দেয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। অন্য পার্টগুলো প্রতিনিয়ত বদলানো হচ্ছে। গুগল বলছে, সাধারন চিন্তায় হিসেব করতে গেলে হামিংবার্ড একটি নতুন ইঞ্জিন যাতে সাজানো গোছানোভাবে পুরাতন এবং নতুন প্রযুক্তি দুটোই ব্যবহার করা হয়েছে।
হামিংবার্ডের মাধ্যমে সার্চ করার ক্ষেত্রে নতুন কি যোগ হচ্ছে?
“কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সার্চ করা” গুগলের দেয়া উদাহরণের মধ্যে অন্যতম একটি উদাহরণ।
আবার ট্র্যাডিশনাল সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে “closest place to buy the iPhone 5s to my home?” লিখে সার্চ দিলে ফোকাস করবে কোন পেজে “buy” এবং “iPhone 5s,” এই শব্দগুলো আছে(উদাহরণস্বরূপ)।
কিন্তু হামিংবার্ড শুধুমাত্র ওয়ার্ডগুলোই খুজবেনা বরং ওয়ার্ডের অর্থ বুঝে সেটার উপর ফোকাস করে সার্চ করবে। আপনি যদি আপনার বাসার লোকেশন গুগলে শেয়ার করেন তবে গুগল place বলতে ধরে নিবে আপনার কাছাকাছি কোন ষ্টোর কিংবা দোকান আবার “iPhone 5s” কে একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস হিসেবে গন্য করবে যেটি কিনা কোন নির্দিষ্ট ষ্টোরে বিক্রয় হচ্ছে। তার মানে গুগল কোন শব্দের উপরই গুরুত্ব দিচ্ছেনা বরং শব্দের অর্থ বুঝে সার্চ করবে। এতে সার্চের রেজাল্ট আগের চেয়ে অনেক নিখুত হবে আশা করা যাচ্ছে।
ভাবছিলাম গুগল “কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সার্চ করা” ফিচারটি ইতিমধ্যে করে ফেলেছে!!!
হ্যা, ফিচারটি ইতোমধ্যে গুগলে যোগ হয়ে গেছে। ফিচারটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্কে দেখতে পারেন।
তবে এটি শুধু ব্যবহারিক জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্নগুলোর উত্তর তার নলেজ গ্রাফ থেকে ভালভাবে দিতে পারবে। পুরো ওয়েবে যে বিলিয়ন বিলিয়ন ওয়েবসাইট আছে সেগুলোতে ব্যবহৃত তথ্যগুলোর অর্থ খুজে বের করে নিখুত সার্চ রেজাল্ট প্রদর্শনের জন্যেই হামিংবার্ড ডিজাইন করা হয়েছে।
ফিচারটি আগের চেয়ে ভাল কাজ করে কি?
আমরা এখনো খুব একটা ভাল বলতে পারছিনা, কারণ ফিচারটি মাত্র চালু করা হল। ব্যবহারকারি এবং বিশেষজ্ঞরা সেটা ব্যবহার করার পরই ভালভাবে জানা যাবে। গুগল যা বলেছে আমরা এখন শুধু ততটুকুই জানি। তবে গুগল কিছু উদাহরণ দিয়েছে যাতে হামিংবার্ডের ইমপ্রুভমেন্ট হয়েছে সেটা বুঝা যায়।
গুগল বলছেঃ ধরুন আপনি “pizza hut calories per slice” লিখে সার্চ দিলে উত্তর পেতেন এমন কিন্তু সেটা পিজ্জা হাটের সাইটের কোন রেজাল্ট নয়। এখন সার্চ দিলে রেজাল্টটি আসবে এমন যেটি পিজ্জা হাটের নিজস্ব সাইট রেফারেন্স।
গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের এমন পরিবর্তন কি গুগলকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে?
মোটামুটি নিশ্চিত করে বলা যায় এমনটি হবে না। কারণ হামিংবার্ড গত একমাস ব্যবহৃত হবার পরই সেটা অফিসিয়ালি ঘোষণা দেয়া হয়েছে। গত একমাসে কাষ্টমারদের কাছ থেকে এমন কোন অভিযোগ শোনা যায়নি যে গুগলের সার্চ রেজাল্ট হটাৎ খারাপ হয়ে গেছে। বরং এটার উন্নতি সাধন করা হয়েছে সেটাই অনেকে খেয়াল করেননি।
তারমানে এসইও’র দিন শেষ?
না, এসইও’র কাজ এখনো শেষ হয়ে যায়নি। বরং গুগল বলছে, এসইও’র ক্ষেত্রে আগে থেকে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। গাইডেন্সও রয়েছে আগের মতই, তবে শর্ত একটাই; কনটেন্ট হতে হবে হাই কোয়ালিটির।
এর মানে কি আমি গুগল থেকে ট্রাফিক হারাব?
আপনার সাইটে যদি গত মাসে লক্ষনীয়ভাবে ট্রাফিক না হারায় তবে বলা যায় আপনার চিন্তা করার তেমন কোন কারণ নেই। সব কিছুর পরেও হামিংবার্ড গত একমাস যাবত চালু আছে, তার মানে গুগলের এ আপডেটের কারণে আপনি যদি কোনরকম ক্ষতিগ্রস্ত হতেন তবে সেটি এতদিনে অবশ্যই বুঝে যেতেন।
কিন্তু আমি ট্রাফিক হারিয়েছি!!!
হতে পারে এর পেছনে হামিংবার্ডই দায়ী। কিন্তু গুগলের মতে এটি এলগরিদমের অন্যান্য অংশ পরিবর্তনের কারণেও হতে পারে যাতে কিনা প্রতিনিয়তই কোন না কোন ভাবে পরিবর্তন, পরিবর্ধন কিংবা উন্নতিসাধন হচ্ছে এবং এটি জানার কোন উপায় নেই।
কিভাবে আমি এই সকল বিষয়গুলো বিস্তারিত জানতে পারবো?
গুগল কিছু প্রেস ইভেন্ট আয়োজন করেছে, ইভেন্টগুলো থেকে হয়তো বিস্তারিত জানা যাবে। গুগলের দুজন শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত সিংহাল এবং বেন গোমেজের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাওয়ার পরই তারা একথা বলেছেন। কবে কোথায় কখন ইভেন্টগুলো অনুষ্ঠিত হবে সেটা জানতে এই এজেন্ডা পেজটি দেখুন।
হামিংবার্ড সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যতটুকু জানতে পেরেছি পুরুটাই শেয়ার করলাম, কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।
আর আপনার জানা কোন তথ্য যা এখানে নেই সেটিও শেয়ার করতে পারেন।
@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@
অথরিটি বিল্ডিং : গুগলের সর্বশেষ আপডেটের (হামিংবার্ড আপডেট) পর এসইও করার পদ্ধতি
Ads by Techtunes - tAds
গুগলের
সর্বশেষ আপডেটের পর তথাকথিত লিংকবিল্ডিংয়ের যুগের সমাপ্তি ঘটল। যারা কিছু
না বুঝেই শুধুমাত্র ব্যাকলিংক কিংবা লিংকবিল্ডিং করেই এতদিন এসইও করে
আসছেন, তাদের এখনই স্ট্রাটেজি পরিবর্তন করতে হবে এবং প্র্যাকটিস শুরু করতে
হবে অথরিটি বিল্ডিংয়ের। কারন নতুন আপডেটে এটিকেই সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দেয়া
হয়েছে এবং ভবিষ্যতের আপডেটগুলো এটির উপর ভিত্তি করেই হবে, সেই ইংগিত পাওয়া
গেছে।নিজেকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রমাণ করার পাশাপাশি ওয়েবসাইটের লিংক বিল্ডিং করাকেই অথোরিটি বিল্ডিং বলে। এই অথোরিটি বিল্ডিং চিরাচরিত লিংকবিল্ডিংয়ের চাইতে কয়েকটি কারনে অনেক বেশি কাযকর। অথোরিটি বিল্ডিংয়ে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা সম্ভব হয় অর্থাৎ এভাবে এসইও করলে এসইওর পাশাপাশি অনলাইন মার্কেটিং, ব্রান্ডিং, পাবলিক রিলেশন একই সাথে তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসার প্রসার আরো কয়েকগুন বাড়িয়ে দেয় এবং যার ফলাফল অনেক বেশি দীর্ঘাস্থায়ী হবে। সেই সাথে ওয়েবসাইটে ভিজিটর এবং সার্চ পজিশনও অনেক আপডেট হবে।
আমার আজকের লিখাতে অথোরিটি বিল্ডিংয়ের কাযকরী কিছু পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছি।
১। ব্লগিং: সবসময় মানসম্পন্ন আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লিখবেন। অনেকেই বলে থাকেন ''মানসম্পন্ন কন্টেন্টই হলো এসইওর প্রধান সম্পদ''। এটি কোন ভুল কথা না। মানসম্পন্ন কনটেন্ট আপনার এসইওর ৮০% কাজ সম্পন্ন করে দেয়। যদি আপনারটি কোন ব্লগ সাইট কিংবা যেসব সাইটে নিয়মিত আপডেট করার প্রয়োজন হয়, এ ধরনের কোন সাইট না হয়ে থাকলে সে ক্ষেত্রে কি করবেন? এ ধরনের ওয়েবসাইটে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করলে খুব ভাল ফলাফল পাবেন। আপনি যদি বড় বড় ওয়েবসাইট যেমনঃ 99designs.com, hostgator.com এ প্রবেশ করেন তাহলে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের সাথে একটি ব্লগ দেখতে পারবেন, যেখানে নিয়মিত পোস্ট করা হয়। আরেকটা বিষয় মনে রাখতে হবে, ব্লগিং শুধুমাত্র সাইটের লিংক কিংবা ভিজিটরদের আকর্ষন করার জন্য করা হয়না। আপনার লেখার মানের কারনে কোম্পানীর ব্রান্ডিংয়ের সাথে ফ্রি হিসেবে নিজেরও ব্রান্ডিং হয়ে যাবে। যেই বিষয়ে উপর লিখসেন, সেই ফিল্ডে এক্সপার্ট হিসেবে মানুষের মাঝে নিজের পরিচয় ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ব্লগিং সবচাইতে কাযকরী একটি মাধ্যম। সেই কারনে মানুষ আপনার কাছ থেকে কিছু পাওয়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে। নিজের ব্লগে পোস্ট দেয়ার সাথে সাথে সমান ভাবে গুরুত্ব দিয়ে গেস্টব্লগ সাইটগুলোতেও পোস্ট করতে হবে। সেই সব সাইটগুলোর নিজস্ব ভিজিটরকে নিজের ওয়েবসাইটে তাহলে খুব সহজে নিয়ে আসতে পারবেন।
২। সোশ্যাল মিডিয়াঃ
সামাজিক যোগাযোগ এর সাইট গুলোকে ভালভাবে কাজে লাগান, সেখানে আপনার শক্তিশালী ভুমিকা রাখুন অর্থাৎ মানুষ যাতে আপনাকে খুব অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তি ভাবতে পারে, সেইভাবে নিজের উপস্থিতিকে সবার সামনে তুলে ধরতে হবে। আর ইতিমধ্যে যদি ১নং ধাপ অর্থাৎ ব্লগিং শুরু করে থাকেন, তাহলেতো অবশ্যই টুইটারে প্রতিটি পোস্টকে টুইট শুরু করতেই হবে। নিজের ব্লগের পোস্টকে আরও বেশি মানুষকে পড়ানোর জন্য অর্থাৎ যারা আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগের ভিজিটর না, তাদের মাঝে নিজের পোস্টকে প্রচার করার জন্য টুইটারসহ অন্যান্য বিখ্যাত সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করুন। তাহলে আপনার ব্লগের পাঠক কয়েকগুন বেড়ে যাবে। যেই সোশ্যাল মিডিয়া সাইট অবশ্যই ব্যবহার করবেন, সেগুলো হলোঃ facebook.com, plus.google.com, twitter.com, pinterest.com, linkedin.com । এইসব সোশ্যাল সাইটগুলোতে নিজেকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রমান করার জন্য ভুমিকা রাখুন।
৩। প্রেস রিলিজ প্রকাশঃ মিডিয়াতে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক প্রকাশ করতে পারলে যেইপরিমানে আস্থা এবং পরিচিতি তৈরি করা যায়, আর অন্য মাধ্যমে এত সফলভাবে সেটি করা সম্ভবনা। হতে পারে আপনার লোকাল কোন পত্রিকা কিংবা কোন ব্লগে যেখানে নির্দিষ্ট পাঠক আছে, সেসব জায়গাতে পোস্ট করতে পারলে আপনার ওয়েবসাইটের ভ্যালু অনেক বেড়ে যাবে। অনলাইনের মাধ্যমে এই নিউজ প্রকাশের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। অনলাইনে http://www.helpareporter.com এ ওয়েবসাইটের মত আরও অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের সার্ভিসকে অনলাইন ভিত্তিক প্রেসে দিতে পারবেন। যদি কিছু সংবাদ পাবলিশ করতে পারেন, তাহলে সেগুলো নিয়ে ওয়েবসাইটে প্রেস নামে একটি লিংক করে সেখানে সকল লিংকগুলোকে যুক্ত করলে বেশি উপকৃত হবেন।
নতুন আপডেট নিয়ে যারা বিশাল সমস্যাতে আছেন, তারা আমার ফেসবুক গ্রুপে এসে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারেন। যতটুকু সম্ভব, সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব।
ফেসবুকগ্রুপঃ facebook.com/groups/creativeit/
No comments:
Post a Comment