গুগল মামা দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে, বর্তমানে গুগল পেজ রেঙ্ক পাওয়া
খুবিই কষ্টের বিসয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা নতুন বা অপ্ল এসইও শিখেছেন তাদের
জন্যতো পুরা সিনপার্ট কাহিনী পেজ রেঙ্ক পাওয়া। তবে, আমি বলবো গুগল এর নিয়ম
মাফিক চললে গুগল আপনাকে শুধু পেজ রেঙ্ক কেন, অ্যাডসেন্স থেকে শুরু করে অন্য
সকল সুবিধা দিবে। অনেক দিন টিটি তে আর্টিকেল লিখি নাহ, তাই আজকে চেষ্টা
করবো একটি পূর্ণ হেল্পফুল আর্টিকেল উপহার দিতে। আজকের আর্টিকেল লেখার আরও
একটি কারন আছে, আমার ওয়েবসাইট এর এলেক্সা রাঙ্ক ১ লাখ এর নিচে এসেছে আশা
করছি আগামী ১ মাসের ভিতরে ৫০ হাজারের ভিতরে আনতে পারবো। যাই হোক, চলুন শুরু
করা যাক।
গুগল পেজ রেঙ্ক সম্পর্কেঃ
গুগল তার পেজ রেঙ্ক এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট এর মূল্য বোঝায়। যেই ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক যোত বেশি সেই ওয়েবসাইট এর মূল্য ততো বেশি। গুগল সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক এর উপরে নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট গুলো সার্চ ইঞ্জিনে প্রমোট করে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পেজ রেঙ্ক নাহ থাকলেও কনটেন্ট গুলো গুগল সার্চ রেজাল্ট এর প্রথম পেজে আনে। আপনার ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক এর উপরে নির্ভর করে সবাই আপনার ওয়েবসাইট এর মূল্য বুঝবে।
গুগল পেজ রেঙ্ক হয় ০ থেকে ১০ পর্যন্ত। নতুন সাইট গুলোর পেজ রেঙ্ক ০ থাকে তারপরে আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য করা এসইও এর উপরে নির্ভর করে আপনি কতো পেজ রেঙ্ক পাবেন। গুগল যে কোন সময় পেজ রেঙ্ক আপডেট করে নাহ বা যে কোন একটি ওয়েবসাইট এর জন্যও আপডেট করে নাহ। গুগল নিজেদের সময় মতো কোন এক সময় পেজ রেঙ্ক আপডেট করে ও একসাথে সকল ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক আপডেট করে। আপনার ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক ০ এই কারনে আপনি হয়তো ভাবছেন যে, এর পরে যখন পেজ রেঙ্ক আপডেট হবে তখন আপনি যদি পেজ রেঙ্ক পান তাহলে একটি পেজ রেঙ্ক পাবেন। কিন্তু, গুগল এই ভাবে পেজ রেঙ্ক আপডেট করে নাহ। আমি দেখেছি অনেক ওয়েবসাইট ০ থেকে এক লাফে পেজ রেঙ্ক ৪ পেয়েছে। এই টা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য করা Search Engine Optimization এর উপরে।
গুগল পেজ রেঙ্ক আপডেট হিস্টোরিঃ
গুগল পেজ রেঙ্ক পাওয়ার জন্য কিছু টিপসঃ
আমার মনে আছে, যখন আমি প্রথম ওয়েবসাইট করি তার কিছু দিন পরে আমি আমার মামা কে বলেছিলাম “ মামা পেজ রেঙ্ক পাই নাহ কেন “ (আমার মামা এর কারনেই আজ আমার ইন্টারনেটে সাফল্য) তখন মামা বলেছিল “ পেজ রেঙ্ক কি মুয়া নাকি “। কোথাটা পুরাপুরি সত্য। নিচের আমার বেক্তিগত কিছু টিপস শেয়ার করলামঃ
গুগল পেজ রেঙ্ক সম্পর্কেঃ
গুগল তার পেজ রেঙ্ক এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট এর মূল্য বোঝায়। যেই ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক যোত বেশি সেই ওয়েবসাইট এর মূল্য ততো বেশি। গুগল সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক এর উপরে নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট গুলো সার্চ ইঞ্জিনে প্রমোট করে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পেজ রেঙ্ক নাহ থাকলেও কনটেন্ট গুলো গুগল সার্চ রেজাল্ট এর প্রথম পেজে আনে। আপনার ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক এর উপরে নির্ভর করে সবাই আপনার ওয়েবসাইট এর মূল্য বুঝবে।
গুগল পেজ রেঙ্ক হয় ০ থেকে ১০ পর্যন্ত। নতুন সাইট গুলোর পেজ রেঙ্ক ০ থাকে তারপরে আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য করা এসইও এর উপরে নির্ভর করে আপনি কতো পেজ রেঙ্ক পাবেন। গুগল যে কোন সময় পেজ রেঙ্ক আপডেট করে নাহ বা যে কোন একটি ওয়েবসাইট এর জন্যও আপডেট করে নাহ। গুগল নিজেদের সময় মতো কোন এক সময় পেজ রেঙ্ক আপডেট করে ও একসাথে সকল ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক আপডেট করে। আপনার ওয়েবসাইট এর পেজ রেঙ্ক ০ এই কারনে আপনি হয়তো ভাবছেন যে, এর পরে যখন পেজ রেঙ্ক আপডেট হবে তখন আপনি যদি পেজ রেঙ্ক পান তাহলে একটি পেজ রেঙ্ক পাবেন। কিন্তু, গুগল এই ভাবে পেজ রেঙ্ক আপডেট করে নাহ। আমি দেখেছি অনেক ওয়েবসাইট ০ থেকে এক লাফে পেজ রেঙ্ক ৪ পেয়েছে। এই টা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য করা Search Engine Optimization এর উপরে।
গুগল পেজ রেঙ্ক আপডেট হিস্টোরিঃ
- 4 February 2013
- 7 November 2012
- 2 August 2012
- 2 May 2012
- 7 February 2012
- 7 November 2011
- 1st Week August 2011
- JULY 2011
- JUNE 2011
- JANUARY 2011
- April 2010
- Dec 31, 2009
- 30 October 2009
- 27/28 May 2009
- June 2009
- 1 / 2 April 2009
- 30-31 December 2008
- 27 September 2008
- 26 July 2008
- 29 April 2008
- 9 January 2008
- 26 October 2007
- 28 April 2007
গুগল পেজ রেঙ্ক পাওয়ার জন্য কিছু টিপসঃ
আমার মনে আছে, যখন আমি প্রথম ওয়েবসাইট করি তার কিছু দিন পরে আমি আমার মামা কে বলেছিলাম “ মামা পেজ রেঙ্ক পাই নাহ কেন “ (আমার মামা এর কারনেই আজ আমার ইন্টারনেটে সাফল্য) তখন মামা বলেছিল “ পেজ রেঙ্ক কি মুয়া নাকি “। কোথাটা পুরাপুরি সত্য। নিচের আমার বেক্তিগত কিছু টিপস শেয়ার করলামঃ
- Relevant Backlink-- যে কোন ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিঙ্ক নেওয়া ক্ষতিকর। শুধু মাত্র Relevant Backlink পেতে চেষ্টা করুন। মনে করেন, আপনার ওয়েবসাইট এর টেকনোলজি নিউজ এর তাহলে আপনি সেই সব পেজ থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিবেন যেই সব পেজের কীওয়ার্ড টেকনোলজি নিউজ বা এই ধরনের। আপনার ওয়েবসাইট টেকনোলজি নিউজ এর আর আপনি ব্যাকলিঙ্ক নিচ্ছেন রান্না বান্না করার ওয়েবসাইট থেকে তাহলে সেই ব্যাকলিঙ্ক কোন কাজে আসবে নাহ।
- Blog Comment-- ব্লগ কমেন্ট এর
মাধ্যমে ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া সম্ভব। তবে তাই বলে আপনি প্রতিদিন ৩০
তা ৪০ তা ব্লগ কমেন্ট করবেন তা ভালো হবে নাহ। যেই সব ব্লগে আপনার ওয়েবসাইট
এর টপিক এর সম্পর্কিত আর্টিকেল আছে, সেই সব আর্টিকেলে কমেন্ট করবেন।
আমার ব্লগ এর সবথেকে জনপ্রিয় পোস্টঃ 50+ DoFollow Blogs List To Comment on — 2013।
কিন্তু কেন এই আর্টিকেল এতো প্রিয় লাগলো এসইও করার জন্য তা আজও আমার অজানা। - Forum Posting—গুগল ফোরাম মেম্বার অ্যান্ড ফোরাম ব্যাকলিঙ্ক পছন্দ করে। বিভিন্ন রিলেভেন্ত ফোরামে যুক্ত থাকুন ও নিয়মিত পোস্ট করুন ও কমেন্ট করুন। চেষ্টা করবেন পোস্ট বা কমেন্ট এর মধ্যে আপনার ওয়েবসাইট এর কিওয়ার্ড গুলো এঙ্কর টেক্সট করতে।
- High PR Backlink-- সব সময় চেষ্টা করুন হাই পেজ রেঙ্ক আছে যেই সব ওয়েবসাইট এর সেই সব ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিতে। পেজরেঙ্ক ৫ থেকে একটি ব্যাকলিঙ্ক পেজ রেঙ্ক ১ এর ৫০ টা ব্যাকলিঙ্ক এর সমান কাজ করে। তাই সবসময় হাই পেজরেঙ্ক ওয়েবসাইট গুলো থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিতে চেষ্টা করবেন।
- Quality
Article-- আপনার ওয়েব সাইট এর আর্টিকেল গুলো উন্নত মানের হতে হবে। আপনার
আর্টিকেল কমপক্ষে ৪০০ ওয়ার্ড এর হবে। সব সময় SEO Friendly আর্টিকেল এর
ধান্দা এর সাথে User Friendly আর্টিকেল এর ধান্দা যোগ করতে হবে। কারন আপনি
ভালো মানের SEO Frienyl আর্টিকেল লিখলেন কিন্তু আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর
পাঠক আপনার আর্টিকেল পরে বিরক্ত হোল তাহলে আপনার উল্টা ক্ষতি হবে। কোন
প্রকার কপি পেস্ট ছাড়া পরিস্কার আর্টিকেল লিখুন নিয়মিত। ভালো মানের
আর্টিকেল লেখার জন্য আমার অন্য একটি আর্টিকেল দেখতে পারেন (মাত্র পাবলিশ
করেছি)
How to Write Rich And Quality Article For Better SEO - Regular Update—পেজ রেঙ্ক পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট আপনাকে নিয়মিত আপডেট করতে হবে। রেগুলার ভালো মানের কনটেন্ট দিতে আপডেট করলে আপনার ট্রাফিক এর সংখ্যা দেখবেন একা একটি ২ গুন বেড়ে গিয়েছে। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ৪/৫ বার কুয়ালিটি কনটেন্ট দিয়ে ওয়েবসাইট বা ব্লগ আপডেট করুন। আমি আমার ব্লগ ডেইলি ২/৩ বার আপডেট করি আবার কোন কোন দিন ৫/৬ বারও হয়ে যাই কারন, আর্টিকেল লেখা আমার একটা নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- Guest Blogging— গেস্ট ব্লগিং এর মাধ্যমে আপনি ভালো ব্যাকলিঙ্ক পেতে পারেন (২/৩)টা আবার বনাস হিসাবে প্রচুর ট্রাফিক পেতে পারেন যদি ভালো কোন ব্লগে গেস্ট ব্লগিং করেন। গেস্ট ব্লগিং করে ব্যাকলিঙ্ক গুলো ভালো মানের হয়ে থাকে (বেক্তিগত মন্তব্য)। তবে সব সময় চেষ্টা করবেন Relevant Blog গুলোতে গেস্ট ব্লগিং করতে। আমার ওয়েবসাইটে আমি প্রতিদিন ২/৩ টা এসইও রিলেটেড আর্টিকেল পাবলিশ করি তাই এসইও নিয়ে ভালো আলোচনা হয় এমন ব্লগ গুলোতে আমি বেশি গেস্ট ব্লগিং করি।
No comments:
Post a Comment