নেকেই আছেন এস ই ও এর প্রতি আগ্রহী। কিন্তু কোথায় কিভাবে শুরু করবেন এবং
এর ভবিষ্যৎ কি এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা নেই। আশা করি আমার এই পোস্টটি
আপনার ডিসিশন নেবার পথে আপনাকে এক ধাপ এগিয়ে রাখবে। এস ই ও নিয়ে এই ব্লগে
এটা আমার প্রথম পোস্ট। এই পোস্টে এস ই ও কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার
ক্ষেত্রে নিজের কিছু উপলব্ধি এবং কিছু নেগেটিভ দিক তুলে ধরার চেস্টা করবো।
আশা করি সবার ভালো লাগবে।

## এস ই ও এক্সপার্টের ব্যাপক চাহিদাঃ এখন যেমন এস ই ও কে আলাদা প্রফেশন হিসেবে বিবেচনা করা হয় পূর্বে তেমনটা ছিলো না। তখন ওয়েব মাস্টার নিজেই ব্যাসিক কিছু এস ই ও এপ্লাই করে দিতেন। ব্যাস, কাজ শেষ!! কিন্তু দ্রুত সাইটের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে গুগল তাদের স্ট্রাটেজিও চেঞ্জ করতে থাকে। বর্তমানে একটা সাইটের এস ই ও না করে গুগলের প্রথম দিকে আনা প্রায় অসম্ভব। তাই দিন দিন এস ই ও এক্সপার্টের চাহিদা বেড়েই চলেছে।
## বাংলাদেশে এস ই ও এর বর্তমান অবস্থাঃ বর্তমানে বাংলাদেশে এস ই ও এর চাহিদা বেড়েই চলছে। হাজার হাজার লোক এখানে সুনামের সাথে কাজ করছে। আপনি যেকোন ট্রেনিং সেন্টারে গেলেই দেখতে পাবেন সেখানে অন্য ব্যাচের থেকে এস ই ও ব্যাচে স্টুডেন্ট বেশি। কারন এস ই ও তুলনামূলকভাবে কিছুটা সহজ। তাছাড়া অনেকে চ্যালেঞ্জিং পেশা হিসেবে এটাকে বেছে নেয়।
## নির্ভরযোগ্য ইনকামের সোর্সঃ ওডেক্সের মতো সাইটে নতুনদের জন্য কাজ পাওয়া কিছুটা কষ্টকর তবে চেষ্টা চালিয়ে গেলে অসম্ভব না। তাছাড়া কাজ জানলে অনেক লোকাল কাজ পাওয়া যায়। ভালো কাজ জানলে মাসে ৩০০/৪০০ ডলার ইনকাম করা সম্ভব। বাংলাদেশেই শুধু এস ই ও করেই হাজার ডলারের উপরে ইনকাম করা লোকের সংখ্যাও নেহায়েত কম না।
##কাজের ক্ষেত্রঃ আপনি কাজ জানলে আপনার কাজের অভাব হবে না। ভালো কাজ জানলে কাজ আপনাকে খুঁজে বেরাবে। বাংলাদেশের হাজার হাজার এস ই ও এক্সপার্টরা ওডেক্স, ফ্রিল্যান্সার ডট কম, ইল্যান্সের মতো প্লাটফর্মে কাজ করে। এখানে আপনি ক্যাটাগরি ভিত্তিক কাজ বাছাই করে নিতে পারবেন আপনার পছন্দ মতো। ওডেক্স একাউন্টের ব্যাপারে বিস্তারিত টিউটোরিয়াল পাবেন এখানে (http://www.techtunes.com.bd/odesk/tune-id/213923)
##উপার্জন ক্ষেত্রঃ আপনি পুরাপুরি ভাবে একজন এস ই ও এক্সপার্ট হলে আপনার উপার্জনের ক্ষেত্র বেড়ে যাবে। এস ই ও ক্যাটাগরিতে অনেক প্রকার কাজ আছে যার মাধ্যমে আপনি আপানার ক্যারিয়ার গরে নিতে পারেন। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপার্জন ক্ষেত্রের কথা তুলে ধরা হলো
*ব্লগিং এর মাধ্যমেঃ ব্লগিং হচ্ছে অনলাইন ইঙ্কামের জনপ্রিয় সোর্স। এটা কিছুটা দীর্ঘমেয়াদী বলা যায়। সাথে সাথে ফল পাওয়া যায় না। ব্লগিং এর জন্য আপনার রাইটিং স্কিল ভালো হতে হবে। Google Adsense, Affaliate Marketing, প্রাইভেট এ্যাড, ই-বুক বিক্রয় ইত্যাদি বহুমূখী আয়ের সোর্স হতে পারে একটি ব্লগ সাইট। Google Adsense এর মাধ্যমে এর মাধ্যমে উপার্জনের পদ্ধতি সম্পর্কে ইতিমধ্যে আমরা অনেকেই জানি। একটা নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করে কিছু ইউনিক পোস্ট দিলে গুগল এডসেন্স এপ্রোভ হয়। ভিজিটর আনার কাজে আপনাকে এস ই ও করতে হবে। এছাড়া এফেলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রোডাক্টের এড দিয়ে আপনি কমিশন হিসেবে একটা ভালো ইঙ্কাম করতে পারেন।
*এফেলিয়েট মার্কেটিংঃ এফেলিয়েট মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয় আয়ের মাধ্যম। এখানে আপনি পণ্য বিক্রেতার লিঙ্ক আপনার সাইটে এড করার মাধ্যমে ইঙ্কাম করতে পারেন। তবে আপনার সাইটের মান ভালো হতে হবে। আপনার সাইটের ভিজিটর যদি আপনার রেফারেন্সে কোন পণ্য ক্রয় করে তাহলে আপনি একটা নির্দিষ্ট কমিশন পাবেন। তবে ভিজিটর অনেক বর ফ্যাক্টর যার জন্য দরকার এস ই ও।
*নিজস্ব পন্য বিক্রয়ঃ ই কমার্স সাইট তৈরি করে আপনি নিজের পণ্য বিক্রয় করতে পারেন। বর্তমানে মানুষ অনলাইন বেইজড কেনাকাটার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ভালো মানের এস ই ও করে আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর আনতে পারলে আপনার পণ্যের বিক্রি বেড়ে যাবে।
** সব পেশাতে ব্যাসিক কিছু রুল মেনে চলতে হয়। সত্যি বলতে এস ই ও তে ধরা বাধা কোন রুল নেই। এস ই ও সর্বদা পরিবর্তনশীল। পরিস্থিতি বুঝে স্টেপ নিতে হয়।
** এস ই ও একটা দীর্ঘমেয়াদী কাজ। এখানে তাৎক্ষনিক কোন রেজাল্ট পাওয়া যায় না। অনেক সময় দেখা যায় অনেকে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। সেক্ষেত্রে প্রোজেক্টের উপর অনেক বড় প্রভাব পড়ে।
এনিওয়ে আমি এসব কিছু বিবেচনা করেই আমার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কথায় আছে চাঁদেও কলঙ্ক আছে। কিছু নেগেটিভ দিক সব কাজেই থাকবে। সেগুলো মোকাবেলা করার মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই আপনাকে সামনে এগোতে হবে। আমার এস ই ও শিখার পিছনে যার সব থেকে বড় অবদান এবং যার কাছে আমার হাতেখড়ি, আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই (https://www.facebook.com/ekramict)। উনি না থাকলে হয়তো আমার চলার পথটা এতোটা মসৃণ হতো না। আজ এ পর্যন্তই। শিগ্রই আসছি আরো কিছু এস ই ও টিপস নিয়ে। ভালো থাকবেন সবাই।
@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@


উত্তরঃ এসইও শুধু মাত্র সাময়িক টাকা আয় করার বিষয় না। এটা একটা বিশাল বড় ক্যারিয়ার। একটা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বৃদ্ধি, প্রতিষ্ঠানের সকল আয় , এ বিষয়গুলো এসইও এক্সপার্টদের উপরই নির্ভর করে। যেহেতু তার হাত দিয়েই কোম্পানীর মূল আয় হয়, সেহেতু কোম্পানী তাকে টাকা দিতে কখনও চিন্তা করবেনা। বরং, এসইও এক্সপার্টকেই বেশি সম্মান দেখিয়ে চলবে।
এ প্রসংগে আরো একটি কথা আমি সবসময় বলি, আপনি তখনই নিজেকে সফল এসইও এক্সপার্ট হিসেবে ভাববেন, যখন আপনি নিজে একটি কোম্পানী খোলার মত সাহস করতে পারবেন। এটার ব্যখ্যা হচ্ছে, একজন এসইও এক্সপার্টের হাত ধরেই যেকোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা পায় এবং বড় হয়। সুতরাং অনেক গুলো প্রতিষ্ঠান যখন তার হাত ধরেই সফলভাবে ব্যবসা করে, তখন একটা পযায়ে নিজের ভিতরেই সেই কনফিডেন্ট তৈরি হতে বাধ্য যে, অন্যদের ব্যবসার জন্যই কেন কাজ করব, চাইলেতো আমি নিজেও কোন ব্যবসা শুরু করে, সেটিকেও এরকম ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে পারি। অর্থাৎ যতক্ষন পযন্ত আপনি উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস করতে পারবেননা, ততক্ষন পযন্ত ধরে নিতে হবে, আপনি এসইও কিছুই পারেননা।

সবশেষে বলতে চাই, এসইও কোন ছোট একটি মাধ্যম না। শুধু লিংকবিল্ডিং পারা মানেই এসইও না। একজন এসইও এক্সপার্টই হতে পারে কোন ব্যবসার সফল মালিক। যে কেউ ব্যবসা শুরুর আগে, সেই ব্যবসার সফলতার জন্য হলেও এসইও শিখে নিতে পারে। এটি হলো এসইও। সুতরাং সঠিকভাবে এসইও কে জানুন এবং শিখুন। এসইও শিখুন ব্যবসার মালিক হওয়ার জন্য, বিশাল পরিমাণ আয় করার জন্য। আমি এসইও কোর্স করানোর সময় সবার মধ্যেই এ ভাবটুকু ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করি।
এসইও কি, ক্যারিয়ার সম্পর্কে জানতে আমার আরেকটি পোস্ট কাজে লাগবে - http://www.techtunes.com.bd/seo/tune-id/233927
এই লেখাটিতে একজন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হওয়ার উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি কারণ নিয়ে লিখা হলো। সফল হতে চাইলে এগুলো একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত। এর বাইরে আপনাদের কাছে আরও মতামত থাকতে পারে। দয়া কমেন্টে সেগুলো উল্লেখ করুন।
১. দ্বিধাদ্বন্দ ও সিদ্ধান্তহীনতা : একজন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ তার সিদ্ধান্তহীনতা। চাকরি জীবন উত্তম হবে, নাকি ফ্রিল্যান্সিং জীবন?- এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সে দোটানায় পড়ে যায়। যার দরুণ তার আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি দেখা যায়। এই দুর্বল আত্মবিশ্বাস নিয়ে সে অনেকটা দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করে। পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। ফলশ্রুতিতে অল্প কিছুদিনেই সে উদ্যম হারিয়ে ফেলে এবং নিজের অজান্তেই নিজেকে ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দেয়।
২. পর্যাপ্ত যোগ্যতা/দক্ষতার অভাব : যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হলো পর্যাপ্ত স্কিল/যোগ্যতার অভাব। ফ্রিল্যান্সিং থেকে মোটা অংকের অর্থ কামানো যায় শুনেই কিছু লোক ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে ঝুঁকে পড়ে। অথচ তাদের কার্যদক্ষতা বা যোগ্যতা সেই মানের নয়। যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে খুব শীঘ্রই ফ্রিল্যান্সিংয়ে ব্যর্থ হবে- এটা একটা অবধারিত বিষয়। এই সমস্যাটি সম্প্রতি খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।
৩. সার্ভিসের প্রতি অমনোযোগী : ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ক্লায়েন্টকে আপনি কি রকম সার্ভিস দিচ্ছেন; তার উপর আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নির্ভর করছে। আপনি টাইমের প্রতি অমনোযোগী, ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে রেসপন্স করছেন না, যেভাবে কাজ গুছিয়ে দেয়ার কথা সেভাবে দিচ্ছে না। খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনি ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করতে পারবেন না। সার্ভিসের প্রতি উদাসীন ফ্রিল্যান্সার কখনওই সফল হতে পারে না।
৪. এলোমেলো সময়সূচী ও কার্যপদ্ধতি : আপনি আপনার দৈনন্দিন সময়ের সাথে ফ্রিল্যান্সিং কাজগুলোকে মানিয়ে নিতে পারছেন না। দেরি করে ঘুম থেকে উঠেন। লাঞ্চে অযথা সময় ব্যয় করেন। প্রচুর কাজ থাকা সত্ত্বেও আড্ডায় মগ্ন থাকেন। আপনার কাজের কোন নির্দিষ্ট সময়সূচী নেই। এই বিষযগুলো খুব দ্রুতই আপনাকে ব্যর্থতার দিকে টেনে নিয়ে যাবে। সবগুলো কাজ এবং কার্যপদ্ধতিতে সময়ের ফ্রেমে বাঁধতে না পারলে সফল হওয়া অসম্ভব। এ গুণটির যাদের মধ্যে নেই, তারা দ্রুতই ব্যর্থতায় পতিত হয়।
৫. মনোবলহীনতা / হাল ছেড়ে দেয়া : আপনি খুব অল্পতে হতাশ হয়ে যান? হাল ছেড়ে দেন? তবে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য নয়। আর যদি এই অভ্যাস থাকার পর আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তবে শুধু ব্যর্থতাই আপনার জন্য অপেক্ষা করবে, সফলতা নয়। ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মেও আপনাকে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হবে। এগুলো উৎরে তবেই আপনি সফলতার কথা ভাবতে পারেন। হাল ছেড়ে দেয়ার মানসিকতা শুধু ফ্রিল্যান্সিং নয় সব ক্ষেত্রেই আপনার ব্যর্থতা ডেকে আনবে।
৬. কাজ খোঁজায় অলসতা : আপনি যখন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন, প্রথমদিকে আপনাকে অবশ্যই কাজের জন্য ক্লায়েন্টদেরকে নক করতে হবে। আপনি যদি কাজ খোঁজার ক্ষেত্রে অলসতা দেখান, তবে শুরুতেই আপনি আপনার ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ারের ধ্বংস ডেকে আনলেন। হুম্ম। যখন আপনি বেশ কিছু প্রজেক্ট সম্পন্ন করলেন তখন আপনাকে হয়তো নতুন করে কাজ খুঁজতে হবে না। পুরাতন ক্লায়েন্টরাই হযতো আপনার কাজ পাওয়ার উৎস হয়ে যাবে। তবে সময়সময়ই নতুন কাজ সন্ধান করা উত্তম। এতে কাজ পাবার পরিধিটা বড় হয়।
এখানে অল্প কয়েকটা বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। যেগুলোর বেশিরভাগই মনস্তাত্বিক বিষয়। এছাড়াও আরও বেশ কিছু বিষয় ব্যর্থতার প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করে। সেগুলো পরবর্তীতে একসময় লিখা ইচ্ছে আছে। শেষ কথা হলো, একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই সফল হওয়ার আকাংঙ্খা নিয়ে কাজ করতে হবে। এবং উপরোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরী। নতুন ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার যেকোন পর্যায়ে ধ্বসে পড়তে পারে। যা কারও কাম্য নয়।
তাই সকল মনোবলহীনতা ঝেড়ে আবার পূর্ণ উদ্যেগে কাজে লেগে যান। সফলতা অবশ্যই ধরা দিবে।
মাইসিস ইন্সটিটিউট অব আইটি
আমাদের ফেসবুককে পেজে ঘুরে আসতে পারেন। এ রকম আরো তথ্যর জন্য আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন।
এস ই ও কে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক
## এস ই ও এক্সপার্টের ব্যাপক চাহিদাঃ এখন যেমন এস ই ও কে আলাদা প্রফেশন হিসেবে বিবেচনা করা হয় পূর্বে তেমনটা ছিলো না। তখন ওয়েব মাস্টার নিজেই ব্যাসিক কিছু এস ই ও এপ্লাই করে দিতেন। ব্যাস, কাজ শেষ!! কিন্তু দ্রুত সাইটের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে গুগল তাদের স্ট্রাটেজিও চেঞ্জ করতে থাকে। বর্তমানে একটা সাইটের এস ই ও না করে গুগলের প্রথম দিকে আনা প্রায় অসম্ভব। তাই দিন দিন এস ই ও এক্সপার্টের চাহিদা বেড়েই চলেছে।
## বাংলাদেশে এস ই ও এর বর্তমান অবস্থাঃ বর্তমানে বাংলাদেশে এস ই ও এর চাহিদা বেড়েই চলছে। হাজার হাজার লোক এখানে সুনামের সাথে কাজ করছে। আপনি যেকোন ট্রেনিং সেন্টারে গেলেই দেখতে পাবেন সেখানে অন্য ব্যাচের থেকে এস ই ও ব্যাচে স্টুডেন্ট বেশি। কারন এস ই ও তুলনামূলকভাবে কিছুটা সহজ। তাছাড়া অনেকে চ্যালেঞ্জিং পেশা হিসেবে এটাকে বেছে নেয়।
## নির্ভরযোগ্য ইনকামের সোর্সঃ ওডেক্সের মতো সাইটে নতুনদের জন্য কাজ পাওয়া কিছুটা কষ্টকর তবে চেষ্টা চালিয়ে গেলে অসম্ভব না। তাছাড়া কাজ জানলে অনেক লোকাল কাজ পাওয়া যায়। ভালো কাজ জানলে মাসে ৩০০/৪০০ ডলার ইনকাম করা সম্ভব। বাংলাদেশেই শুধু এস ই ও করেই হাজার ডলারের উপরে ইনকাম করা লোকের সংখ্যাও নেহায়েত কম না।
##কাজের ক্ষেত্রঃ আপনি কাজ জানলে আপনার কাজের অভাব হবে না। ভালো কাজ জানলে কাজ আপনাকে খুঁজে বেরাবে। বাংলাদেশের হাজার হাজার এস ই ও এক্সপার্টরা ওডেক্স, ফ্রিল্যান্সার ডট কম, ইল্যান্সের মতো প্লাটফর্মে কাজ করে। এখানে আপনি ক্যাটাগরি ভিত্তিক কাজ বাছাই করে নিতে পারবেন আপনার পছন্দ মতো। ওডেক্স একাউন্টের ব্যাপারে বিস্তারিত টিউটোরিয়াল পাবেন এখানে (http://www.techtunes.com.bd/odesk/tune-id/213923)
##উপার্জন ক্ষেত্রঃ আপনি পুরাপুরি ভাবে একজন এস ই ও এক্সপার্ট হলে আপনার উপার্জনের ক্ষেত্র বেড়ে যাবে। এস ই ও ক্যাটাগরিতে অনেক প্রকার কাজ আছে যার মাধ্যমে আপনি আপানার ক্যারিয়ার গরে নিতে পারেন। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপার্জন ক্ষেত্রের কথা তুলে ধরা হলো
*ব্লগিং এর মাধ্যমেঃ ব্লগিং হচ্ছে অনলাইন ইঙ্কামের জনপ্রিয় সোর্স। এটা কিছুটা দীর্ঘমেয়াদী বলা যায়। সাথে সাথে ফল পাওয়া যায় না। ব্লগিং এর জন্য আপনার রাইটিং স্কিল ভালো হতে হবে। Google Adsense, Affaliate Marketing, প্রাইভেট এ্যাড, ই-বুক বিক্রয় ইত্যাদি বহুমূখী আয়ের সোর্স হতে পারে একটি ব্লগ সাইট। Google Adsense এর মাধ্যমে এর মাধ্যমে উপার্জনের পদ্ধতি সম্পর্কে ইতিমধ্যে আমরা অনেকেই জানি। একটা নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করে কিছু ইউনিক পোস্ট দিলে গুগল এডসেন্স এপ্রোভ হয়। ভিজিটর আনার কাজে আপনাকে এস ই ও করতে হবে। এছাড়া এফেলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রোডাক্টের এড দিয়ে আপনি কমিশন হিসেবে একটা ভালো ইঙ্কাম করতে পারেন।
*এফেলিয়েট মার্কেটিংঃ এফেলিয়েট মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয় আয়ের মাধ্যম। এখানে আপনি পণ্য বিক্রেতার লিঙ্ক আপনার সাইটে এড করার মাধ্যমে ইঙ্কাম করতে পারেন। তবে আপনার সাইটের মান ভালো হতে হবে। আপনার সাইটের ভিজিটর যদি আপনার রেফারেন্সে কোন পণ্য ক্রয় করে তাহলে আপনি একটা নির্দিষ্ট কমিশন পাবেন। তবে ভিজিটর অনেক বর ফ্যাক্টর যার জন্য দরকার এস ই ও।
*নিজস্ব পন্য বিক্রয়ঃ ই কমার্স সাইট তৈরি করে আপনি নিজের পণ্য বিক্রয় করতে পারেন। বর্তমানে মানুষ অনলাইন বেইজড কেনাকাটার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ভালো মানের এস ই ও করে আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর আনতে পারলে আপনার পণ্যের বিক্রি বেড়ে যাবে।
এবার আসি কিছু নেগেটিভ দিক নিয়েঃ
**সার্চ ইঞ্জিন চাইলে যে কোন সময় তাদের এলগরিদম চেঞ্জ করতে পারে। এটা একটা এমব্রেসিং ব্যাপার। অনেক সময় দেখা যায় চেঞ্জের কারনে সাইটের পজিশন চেঞ্জ হয়ে যায়।** সব পেশাতে ব্যাসিক কিছু রুল মেনে চলতে হয়। সত্যি বলতে এস ই ও তে ধরা বাধা কোন রুল নেই। এস ই ও সর্বদা পরিবর্তনশীল। পরিস্থিতি বুঝে স্টেপ নিতে হয়।
** এস ই ও একটা দীর্ঘমেয়াদী কাজ। এখানে তাৎক্ষনিক কোন রেজাল্ট পাওয়া যায় না। অনেক সময় দেখা যায় অনেকে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। সেক্ষেত্রে প্রোজেক্টের উপর অনেক বড় প্রভাব পড়ে।
এনিওয়ে আমি এসব কিছু বিবেচনা করেই আমার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কথায় আছে চাঁদেও কলঙ্ক আছে। কিছু নেগেটিভ দিক সব কাজেই থাকবে। সেগুলো মোকাবেলা করার মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই আপনাকে সামনে এগোতে হবে। আমার এস ই ও শিখার পিছনে যার সব থেকে বড় অবদান এবং যার কাছে আমার হাতেখড়ি, আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই (https://www.facebook.com/ekramict)। উনি না থাকলে হয়তো আমার চলার পথটা এতোটা মসৃণ হতো না। আজ এ পর্যন্তই। শিগ্রই আসছি আরো কিছু এস ই ও টিপস নিয়ে। ভালো থাকবেন সবাই।
@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@
SEO সম্পর্কিত খুব প্রচলিত ৩টি প্রশ্নের উত্তর। SEO করেন কিংবা করবেন, সবার জন্য এই টিউন
Ads by Techtunes - tAds
১। এসইও দিয়ে কত দিন আয় করতে পারব? কোন একদিন কি আবার এটার ডিমান্ড শেষ হয়ে যাবে নাতো?
উত্তরঃ কোন একটি ব্যবসার প্রচার কখনওই বন্ধ হয়না। পৃথিবীতে প্রায় সকল ব্যবসার শুরু থেকে সেই ব্যবসার ধ্বংস হওয়া পযন্ত সেটার প্রচার বা মার্কেটিং করা হয়। কোকাকোলা কোম্পানী সবাই চিনার পরও এখনও সেই কোম্পানী কোটি কোটি টাকা খরচ করে তাদের মার্কেটিং চালিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং এবার নিজেই হিসেব করুন, পুরানো যত কোম্পানী আছে, নতুন যত ছোট কিংবা বড় কোম্পানী আসতেছে, সবগুলোর মার্কেটিং এর জন্য কি পরিমাণ লোক দরকার? আ।র এসইও তো করাই হয়, ব্যবসার প্রসারের জন্য। সুতরাং দিন যত হবে, তত আরো বেশি এসইও এক্সপার্ট লোক দরকার হবে, তবে দিনে দিনে এসইও জগতে ক্রিয়েটিভ লোকদের চাহিদা বাড়বে।২। এসইও করে মাসে কত পরিমাণ আয় করা সম্ভব?
উত্তরঃ এসইও শুধু মাত্র সাময়িক টাকা আয় করার বিষয় না। এটা একটা বিশাল বড় ক্যারিয়ার। একটা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বৃদ্ধি, প্রতিষ্ঠানের সকল আয় , এ বিষয়গুলো এসইও এক্সপার্টদের উপরই নির্ভর করে। যেহেতু তার হাত দিয়েই কোম্পানীর মূল আয় হয়, সেহেতু কোম্পানী তাকে টাকা দিতে কখনও চিন্তা করবেনা। বরং, এসইও এক্সপার্টকেই বেশি সম্মান দেখিয়ে চলবে।
এ প্রসংগে আরো একটি কথা আমি সবসময় বলি, আপনি তখনই নিজেকে সফল এসইও এক্সপার্ট হিসেবে ভাববেন, যখন আপনি নিজে একটি কোম্পানী খোলার মত সাহস করতে পারবেন। এটার ব্যখ্যা হচ্ছে, একজন এসইও এক্সপার্টের হাত ধরেই যেকোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা পায় এবং বড় হয়। সুতরাং অনেক গুলো প্রতিষ্ঠান যখন তার হাত ধরেই সফলভাবে ব্যবসা করে, তখন একটা পযায়ে নিজের ভিতরেই সেই কনফিডেন্ট তৈরি হতে বাধ্য যে, অন্যদের ব্যবসার জন্যই কেন কাজ করব, চাইলেতো আমি নিজেও কোন ব্যবসা শুরু করে, সেটিকেও এরকম ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে পারি। অর্থাৎ যতক্ষন পযন্ত আপনি উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস করতে পারবেননা, ততক্ষন পযন্ত ধরে নিতে হবে, আপনি এসইও কিছুই পারেননা।
৩। এসইও শিখে কিভাবে কাজ পাব?
উত্তরঃ যতক্ষণ পযন্ত আপনি নিজের কাজ জোগাড় করা না শিখবেন, ততক্ষণ পযন্তু বুঝতে হবে, আপনি এখনও এসইওর কিছুই শিখতে পারেননি। নিজের জন্যই যে কাজ জোগাড় করতে পারেনা, অন্যের ব্যবসাকে সে কিভাবে সফল করবে? আগে নিজেকে এসইও করা শিখুন। যখন নিজেকে এসইও করতে শিখবেন, তখন অন্যের কোম্পানীকেও এসইও করতে পারবেন। অনেক সময় অনেক তথাকথিত এসইও এক্সপার্ট দেখি, যারা খুব গর্ব করে তারা ওডেস্ক থেকে মাসে ৩০০ ডলার থেকে ৫০০ ডলার আয় করে। কিন্তু তাদের ফেসবুক কিংবা গুগল প্লাসে গেলে তাদের প্রোফাইল ছবি হিসেবে দেখা যায়, কোন ফুলের ছবি। তাদের ধারণা এসইওর কাজ পাওয়া যাবে শুধুমাত্র ওডেস্কে। তাদেরকে এসইও এক্সপার্ট বলতে আমি কখনো রাজি না। তারা লিংক বিল্ডার হতে পারে। যারা এসইও ভালভাবে জানে তারা নিজেকেই সবার প্রথমে এসইও করবে, যাতে মানুষজন জানতে পারে, সে একজন এসইও এক্সপার্ট। মানুষজন তাকে খোজ করে কাজ দিবে। নিজেকে এসইও করার অনেকগুলো প্লাটফরমের মধ্যে ওডেস্ক একটা প্লাটফরম হতে পারে মাত্র। সুতরাং সে যেহেতু নিজেকে এসইও করবে, তাকে তার সকল সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে সেই চিহ্ন রাখতে হবে।সবশেষে বলতে চাই, এসইও কোন ছোট একটি মাধ্যম না। শুধু লিংকবিল্ডিং পারা মানেই এসইও না। একজন এসইও এক্সপার্টই হতে পারে কোন ব্যবসার সফল মালিক। যে কেউ ব্যবসা শুরুর আগে, সেই ব্যবসার সফলতার জন্য হলেও এসইও শিখে নিতে পারে। এটি হলো এসইও। সুতরাং সঠিকভাবে এসইও কে জানুন এবং শিখুন। এসইও শিখুন ব্যবসার মালিক হওয়ার জন্য, বিশাল পরিমাণ আয় করার জন্য। আমি এসইও কোর্স করানোর সময় সবার মধ্যেই এ ভাবটুকু ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করি।
এসইও কি, ক্যারিয়ার সম্পর্কে জানতে আমার আরেকটি পোস্ট কাজে লাগবে - http://www.techtunes.com.bd/seo/tune-id/233927
এসইও সম্পর্কিত আমার অন্য সকল পোস্টগুলোও দেখতে পারেন।@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@
টেকটিউনস আইডিঃ http://www.techtunes.com.bd/tuner/ekram.cit
আরো কিছু জানার জন্য, ফেসবুক গ্রুপের আইডি দিয়ে গেলামঃ https://www.facebook.com/groups/creativeit/
একজন ফ্রিল্যান্সার কি কি কারণে ব্যর্থ হয়!
Ads by Techtunes - tAds
ফ্রিল্যান্সিং
পেশাটির প্রতি সবারই আলাদা একটি আগ্রহ কাজ করে। অনেকেই পেশা হিসেবে এটি
বেছে নিতে চায়। কেউ বা সফল হয় কেউবা ব্যর্থ। যারা সফল হয় তাদের বেশ কিছু
গুণের কারণেই সফল হয়। আবার যারা ব্যর্থ হয়, তারা বেশ কিছু ভুল/ত্রুটি কিংবা
বদঅভ্যাসের জন্যই ব্যর্থ হয়। ফ্রিল্যান্সারের জন্য শুধু কার্যদক্ষতাই নয়
বরং মানসিক সামর্থ ও প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ফ্রিল্যান্সার নিজেও
জানে না, কেন তার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে।এই লেখাটিতে একজন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হওয়ার উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি কারণ নিয়ে লিখা হলো। সফল হতে চাইলে এগুলো একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত। এর বাইরে আপনাদের কাছে আরও মতামত থাকতে পারে। দয়া কমেন্টে সেগুলো উল্লেখ করুন।
১. দ্বিধাদ্বন্দ ও সিদ্ধান্তহীনতা : একজন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ তার সিদ্ধান্তহীনতা। চাকরি জীবন উত্তম হবে, নাকি ফ্রিল্যান্সিং জীবন?- এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সে দোটানায় পড়ে যায়। যার দরুণ তার আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি দেখা যায়। এই দুর্বল আত্মবিশ্বাস নিয়ে সে অনেকটা দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করে। পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। ফলশ্রুতিতে অল্প কিছুদিনেই সে উদ্যম হারিয়ে ফেলে এবং নিজের অজান্তেই নিজেকে ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দেয়।
২. পর্যাপ্ত যোগ্যতা/দক্ষতার অভাব : যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হলো পর্যাপ্ত স্কিল/যোগ্যতার অভাব। ফ্রিল্যান্সিং থেকে মোটা অংকের অর্থ কামানো যায় শুনেই কিছু লোক ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে ঝুঁকে পড়ে। অথচ তাদের কার্যদক্ষতা বা যোগ্যতা সেই মানের নয়। যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে খুব শীঘ্রই ফ্রিল্যান্সিংয়ে ব্যর্থ হবে- এটা একটা অবধারিত বিষয়। এই সমস্যাটি সম্প্রতি খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।
৩. সার্ভিসের প্রতি অমনোযোগী : ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ক্লায়েন্টকে আপনি কি রকম সার্ভিস দিচ্ছেন; তার উপর আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নির্ভর করছে। আপনি টাইমের প্রতি অমনোযোগী, ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে রেসপন্স করছেন না, যেভাবে কাজ গুছিয়ে দেয়ার কথা সেভাবে দিচ্ছে না। খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনি ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করতে পারবেন না। সার্ভিসের প্রতি উদাসীন ফ্রিল্যান্সার কখনওই সফল হতে পারে না।
৪. এলোমেলো সময়সূচী ও কার্যপদ্ধতি : আপনি আপনার দৈনন্দিন সময়ের সাথে ফ্রিল্যান্সিং কাজগুলোকে মানিয়ে নিতে পারছেন না। দেরি করে ঘুম থেকে উঠেন। লাঞ্চে অযথা সময় ব্যয় করেন। প্রচুর কাজ থাকা সত্ত্বেও আড্ডায় মগ্ন থাকেন। আপনার কাজের কোন নির্দিষ্ট সময়সূচী নেই। এই বিষযগুলো খুব দ্রুতই আপনাকে ব্যর্থতার দিকে টেনে নিয়ে যাবে। সবগুলো কাজ এবং কার্যপদ্ধতিতে সময়ের ফ্রেমে বাঁধতে না পারলে সফল হওয়া অসম্ভব। এ গুণটির যাদের মধ্যে নেই, তারা দ্রুতই ব্যর্থতায় পতিত হয়।
৫. মনোবলহীনতা / হাল ছেড়ে দেয়া : আপনি খুব অল্পতে হতাশ হয়ে যান? হাল ছেড়ে দেন? তবে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য নয়। আর যদি এই অভ্যাস থাকার পর আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তবে শুধু ব্যর্থতাই আপনার জন্য অপেক্ষা করবে, সফলতা নয়। ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মেও আপনাকে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হবে। এগুলো উৎরে তবেই আপনি সফলতার কথা ভাবতে পারেন। হাল ছেড়ে দেয়ার মানসিকতা শুধু ফ্রিল্যান্সিং নয় সব ক্ষেত্রেই আপনার ব্যর্থতা ডেকে আনবে।
৬. কাজ খোঁজায় অলসতা : আপনি যখন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন, প্রথমদিকে আপনাকে অবশ্যই কাজের জন্য ক্লায়েন্টদেরকে নক করতে হবে। আপনি যদি কাজ খোঁজার ক্ষেত্রে অলসতা দেখান, তবে শুরুতেই আপনি আপনার ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ারের ধ্বংস ডেকে আনলেন। হুম্ম। যখন আপনি বেশ কিছু প্রজেক্ট সম্পন্ন করলেন তখন আপনাকে হয়তো নতুন করে কাজ খুঁজতে হবে না। পুরাতন ক্লায়েন্টরাই হযতো আপনার কাজ পাওয়ার উৎস হয়ে যাবে। তবে সময়সময়ই নতুন কাজ সন্ধান করা উত্তম। এতে কাজ পাবার পরিধিটা বড় হয়।
এখানে অল্প কয়েকটা বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। যেগুলোর বেশিরভাগই মনস্তাত্বিক বিষয়। এছাড়াও আরও বেশ কিছু বিষয় ব্যর্থতার প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করে। সেগুলো পরবর্তীতে একসময় লিখা ইচ্ছে আছে। শেষ কথা হলো, একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই সফল হওয়ার আকাংঙ্খা নিয়ে কাজ করতে হবে। এবং উপরোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরী। নতুন ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার যেকোন পর্যায়ে ধ্বসে পড়তে পারে। যা কারও কাম্য নয়।
তাই সকল মনোবলহীনতা ঝেড়ে আবার পূর্ণ উদ্যেগে কাজে লেগে যান। সফলতা অবশ্যই ধরা দিবে।
মাইসিস ইন্সটিটিউট অব আইটি
আমাদের ফেসবুককে পেজে ঘুরে আসতে পারেন। এ রকম আরো তথ্যর জন্য আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন।
2 comments:
শুভেচ্ছা জানাচ্ছি,
আমি ইন্সটাফরেক্স কোম্পানির পার্টনার ম্যানেজার।
আমরা আপনাকে প্রস্তাব জানাতে চাই ইন্সটাফরেক্স পার্টনার প্রোগ্রামে যেখানে আপনি ১.৫ পিপস (১৫ ডলার স্ট্যান্ডার্ড মার্কেট লট থেকে) পাবেন আপনার প্রতিটা গ্রাহক থেকে। গ্রাহকদের থেকে প্রাপ্ত কমিশন আপনার অ্যাকাউন্ট এ জমা হয়ে যাবে যেটা আপনি সহজেই উত্তোলন করতে পাড়বেন। এর জন্য আপনাকে কোন ইনভেস্ট বা ট্রেড করতে হবে না ।
এখনি আমাদের পার্টনার হয়ে যান এবং পেয়ে যান সকল তথ্য সরঞ্জাম আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য অ্যাফিলিয়েট লিংক সহ। আপনি যদি আগ্রহী হন অথবা যদি কোন প্রশ্ন থাকে নিঃসংকোচে আমার সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা কৃতার্থ হব আমাদের পরস্পরের লাভ সম্পর্কে আলোচনা করতে । আমাদের এই প্রস্তাব সম্পর্কে আপনার মতামত অবশ্যই আমাকে জানাবেন।
ধন্যবাদ। অপেক্ষা করছি আপনার আগ্রহ সম্পর্কে জানতে।
Hi Thanks for sharing it with us .
HTML Bangla Tutorial
Post a Comment