Friday, January 3, 2014

ওয়েবসাইটে এসইও করার পুরো প্রসেস একসাথে, ধাপগুলো দেখুন। সবার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন টিউন

কোন ওয়েবসাইটের এসইও করার পুরো প্রসেসগুলো ধাপে ধাপে দেখানোর জন্য আমার আজকের টিউন। আমার পূর্ববর্তী টিউনের অনেক পাঠকের অনুরোধে এ টিউনটি আমাকে লিখতে হচ্ছে আজকে। এসইওর পুরো প্রসেসটি আপনার কাছে সহজ হয়ে যাবে যখন এটিকে বাস্তবের যেকোন ব্যবসার সাথে মিলাবেন। যেকোন ব্যবসার ক্ষেত্রে আমাদের প্রথম কাজ হয় কোম্পানীর অফিসকে আগে সুন্দর ডেকোরেশন করা এবং অফিসের ভিতরের আরও কিছু প্রস্তুতি সম্পন্ন করা। যখন অফিসের ভিতরের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যায়, তখন শুরু করতে হবে প্রচার অর্থাৎ মার্কেটিং। পুরো এসইও প্রসেসে একই কাজ করতে হবে। অফিসের ভিতরের কাজকে আমরা অনপেইজ এসইও বলি এবং পণ্যের প্রচার ও মার্কেটিংকে অফপেইজ এসইও বলে। অনপেইজ এসইও এবং অফপেইজ এসইও দুটির সমন্বয়ে যেকোন ওয়েবসাইট গুগলের সার্চে টপে চলে আসে।

আজকের পর্বে অনপেইজ এসইওর ধাপগুলো নিয়ে আলোচনা করব।

১ম ধাপঃ কি-ওয়ার্ড অ্যানালাইসিসঃ

এসইও করার শুরুতে উপযুক্ত কিওয়ার্ড বেছে নিতে হবে। কম্পিটিশন কম এবং সার্চও ভাল হয়, এরকম কীওয়ার্ড বাছাই করতে হবে। সেজন্য গুগলের কীওয়ার্ড টুলস এবং http://www.google.com/trends/ এর সাহায্য নিয়ে এটি ঠিক করতে হবে।
সময় লাগবেঃ ১ ঘন্টা।

অনপেইজ এস ই ও করুন :

সঠিক কীওয়ার্ড বাছাই পর্ব শেষ। এবার আপনার বাছাইকৃত কীওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটটিকে এসইও ফ্রেন্ডলি করতে হবে।সেজন্য আপনাকে অনপেইজ এসইও করতে হবে।আসুন দেখে নেই অনপেইজ এসইওর ধাপগুলো।

২য় ধাপঃ ডিজাইন যেমন করবেনঃ

ওয়েবসাইটের ডিজাইন আকর্ষণীয় এবং গোছালোভাবে করুন। ডিজাইন আকর্ষণীয় করার জন্য এমন কিছু করা যাবেনা যাতে আপনার ভিজিটরদের প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে কষ্ট হয়। ওয়েভসাইটের লোডিং সময় কমাতে হবে। ওয়েবসাইটের ডিজাইনের ব্যপারে আমার একটি পোস্ট আছে সেটা দেখতে পারেন, তাহলেও অনেক কিছু জানতে পারবেন। আমার পোস্ট দুটির লিংকঃ ১) http://www.techtunes.com.bd/web-development/tune-id/238094
২) http://www.techtunes.com.bd/seo/tune-id/232281
আপনার ওয়েবসাইটের ভিতরের পেজের লিংকের url এ আপনার কীওয়ার্ডের ব্যবহার করুন।
সময় লাগবেঃ এটি যে এসইও করে তার কাজ না। আপনার ওয়েবসাইট যে ডিজাইন করে তার যদি এসইও জ্ঞান না থাকে তাকে পুরো বিষয়টি বুঝিয়ে দিতে হবে।

 ৩য় ধাপঃ মেটা ট্যাগ ব্যবহারঃ

ওয়েবসাইটের প্রতি পেজে meta keyword ও meta description ব্যবহার করতে হবে। সেই মেটা ট্যাগে বাছাইকৃত কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করতে হবে।
সময় লাগবেঃ ১৫ মিনিট

৪র্থ ধাপঃ কনটেন্টে কি ওয়ার্ড ব্যবহারঃ

ওয়েবসাইটের কনটেন্ট অপটিমাইজ করতে হবে। কনটেন্টকে ১০০% ইউনিক, সহজ, আকর্ষণীয় করুন এবং অবশ্যই আপনার কনটেন্টের মাঝে কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন। সেটা সর্বোচ্চ ৩% বার ব্যবহার করতে পারবেন।কনটেন্টের গ্রামাটিক্যাল ভুলের চেকের জন্য http://www.grammarbase.com/ এবং কনটেন্ট ইউনিক চেকের জন্য ব্যবহার করুনঃ http://smallseotools.com/
সময় লাগবেঃ ৩ঘন্টা
seo training

৫ম ধাপঃ ওয়েবসাইটকে গুগল ওয়েবমাস্টার টুলে যোগ করুনঃ

গুগলের ওয়েবমাস্টার টুলে (https://www.google.com/webmasters/) আপনার গুগল একাউন্ট ব্যবহার করে লগইন করুন। সেখানে আপনার ওয়েবসাইটকে যোগ করুন, তখন একটি কোড পাবেন, সেই কোড আপনার ওয়েবসাইটে <head> সেকশনে যোগ করুন।
সময় লাগবেঃ ১৫ মিনিট

৬ষ্ঠ ধাপঃ ইমেজে ALT ট্যাগের ব্যবহারঃ

গুগলের ইমেজ সার্চে আপনার ওয়েবসাইটের ইমেজকে টপে নিয়ে আসার জন্য ইমেজের নাম এবং html কোডের ALT ট্যাগে কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ইমেজ সার্চে আপনার ওয়েবসাইটের ইমেজ চলে আসলে সেখান থেকেও প্রচুর পরিমান ট্রাফিক পাবেন।
সময় লাগবেঃ ১৫ মিনিট

৭ম ধাপঃ h1, h2 ট্যাগে কীওয়ার্ড ব্যবহারঃ

আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটা পেজে একটি h1 এবং কমপক্ষে ১টি h2 ট্যাগ ব্যবহার করুন এবং সেই ট্যাগের মধ্যবর্তী বাক্যে অবশ্যই কীওয়ার্ডকে ব্যবহার করুন।
সময় লাগবেঃ ৩০ মিনিট

 ৮ম ধাপঃ সঠিক টাইটেল নির্বাচনঃ

ওয়েবসাইটের সুন্দর এমন একটি টাইটেল নির্বাচন করুন যেখানে প্রথমধাপে বাছাইকৃত কীওয়ার্ডটি যাতে অবশ্যই থাকে। টাইটেল ৬০ ক্যারেক্টারের বেশি যাতে না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।
সময় লাগবেঃ ১৫ মিনিট


৯ম ধাপঃ ওয়েবসাইটকে গুগলে সাবমিটঃ

ওয়েবসাইটকে গুগলে ইনডেক্সিং করুন। আপনার ওয়েবসাইটের URL গুগলে সাবমিট করুন। সেজন্য নিচের লিংকে প্রবেশ করুন। https://www.google.com/webmasters/tools/submit-url
সময় লাগবেঃ ১৫ মিনিট

১০ম ধাপঃ সাইট ম্যাপ

ওয়েবসাইটে সাইটম্যাপ আপলোড করুন। এজন্য গুগল ওয়েবমাস্টার টুলসে গিয়ে সাইটম্যাপ সাবমিট করুন।সাইটম্যাপ তৈরির জন্য লিংকটির সাহায্য নিতে পারেন। http://www.xml-sitemaps.com/ এখানে সাইটম্যাপ তৈরি করে xml হিসেবে ডাইনলোড করতে হবে। পরে সেই ফাইলটি আপনার সার্ভারে আপলোড করুন। পরে লিংকটি গুগলের ওয়েবমাস্টারে গিয়ে যুক্ত করুন।
সময় লাগবেঃ ৩০ মিনিট

১১নং ধাপঃ অন্যান্য

রোবোট টেক্সট ব্যবহার করতে হবে , ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার, লিংক স্ট্যাকচারের দিকে নজর দিতে হবে, নেভিগেশনের দিকে নজর না দিলেও হবেনা।
সময় লাগবেঃ ৩০ মিনিট
তাহলে অনপেইজ এসইও করতে মোট সময় লাগছে ৬ ঘন্টা।
আজকে অনপেইজ এসইও নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখলাম। সবার কাছে ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন, না হলে অফপেইজ এসইওর উপর লিখা নিয়ে আসবনা। পরের পর্বে অফপেইজ এসইওর ধাপগুলো নিয়ে আলোচনা হবে, তবে সেটা আপনাদের উপরই নির্ভর করছে। আপনার কমেন্ট করে জানাবেন পরের পর্ব লাগবে কিনা।
আমার ফেসবুক পেজে জয়েন করতে পারেনঃ https://www.facebook.com/groups/creativeit/

@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য অফপেইজ এসইওর সম্পূর্ণ ধারাবাহিক প্রক্রিয়া

 

এসইও সম্পর্কিত গত পোস্টে এসইও ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করা হয়েছে।। আজকের পোস্টে অফপেইজ এসইওর প্রসেস নিয়ে লিখব।মনে রাখতে হবে, অফপেজ এসইও আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলের র‌্যাংকিংয়ে আনার জন্য প্রধান কাজ। অনপেজ এসইও সহায়ক হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ আমি যদি একটি ব্যবসার সাথে ব্যপারটাকে তুলনা করি। আমার অফিসকে ফাইভ স্টার হোটেলের মত করে সাজালাম কিন্তু কেউ আমার অফিসের ব্যপারে কিছুই জানতে পারলনা, তাহলে কোনই লাভ নাই। একইরকমভাবে আপনি খুব ভালভাবে অনপেইজ এসইও করলেন, এবার ওয়েবসাইটটির ব্যপারে প্রচার করতে হবে, যাকে আমার অফপেইজ এসইও বলি।
অনেকে শুধুমাত্র ব্যাকলিংক তৈরি করাকে অফপেইজ এসইওর উদ্দেশ্য মনে করে। সবার মনে রাখা দরকার, পেঙ্গুইন আপডেটের পর যারা শুধুমাত্র ব্যাকলিংক তৈরির উদ্দেশ্যে অফপেইজ এসইও করে, তারা সফল হতে পারেনা। অফপেইজ এসইওর প্রধান উদ্দেশ্য হবে, সবার কাছে আপনার  ওয়েবসাইটটির পরিচিতি তৈরি করা, সাথে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে। লক্ষ্য করলে খেয়াল করবেন, আমি ওয়েবসাইটটির প্রচারকে প্রধানভাবে গুরুত্ব দিয়েছি, এরপরে গুরুত্ব দিয়েছি ব্যাকলিংক তৈরি করাকে। সুতরাং আমরা কিভাবে আমাদের ওয়েবসাইটকে প্রচার করব, সেটি নিয়ে আমার আজকের লেখা। আমাদের ওয়েবসাইটকে এমন জায়গাতেই প্রচার করতে হবে, যেসব জায়গাতে মানুষের উপস্থিতি বেশি থাকে।

আগের পর্বে এসইও প্রসেসের অনপেইজের ধাপগুলো নিয়ে লিখেছিলাম। যারা সেটি পড়েননি, ঘুরে আসতে পারেন।
http://www.techtunes.com.bd/seo/tune-id/238876

গেস্ট ব্লগিং:


ওয়েবসাইটে ভিজিটর পাওয়ার জন্য এবং গুগলের সার্চে টপে আসার জন্য সবচাইতে বড় মাধ্যম গেস্ট ব্লগিং। টেকটিউনস একটি গেস্ট ব্লগিং সাইট। এধরনের সাইটের নিজস্ব কিছু নিয়মিত ভিজিটর বা ট্রাফিক আছে। সুতরাং এধরনের সাইটে যদি আপনি নিয়মিত লেখেন এবং সেই লেখার মাধ্যমে এসব ওয়েবসাইটের সকল ট্রাফিককে যদি আকর্ষণ করতে পারেন, তাহলে শুধুমাত্র আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটরই বৃদ্ধি পাবেনা, সাথে আপনার কোম্পানীর ব্রান্ডিংও হবে এবং সাথে ফ্রি হিসেবে আপনার নিজেরও ব্যান্ডিং হবে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে আর্টিকেল লেখুন এবং ভাল পেজর‌্যাংকের গেস্টব্লগিং সাইটে সেটি পোস্ট করুন। একটি লেখা থেকে ২-৩টি ব্যাকলিংক খুব সহজে পাবেন। লেখালেখি করতে জানেনা, তাহলে পড়ুন আমার লেখাটি। (http://www.techtunes.com.bd/seo/tune-id/235652)
সময়ঃ একটি আর্টিকেল লিখতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা। এটি সাপ্তাহিক সময়। সেটি পোস্ট করতে লাগে ১৫ মিনিট।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং:


জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইটগুলোকে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচারে কাজে লাগান। ওয়েবসাইটের নামে পেজ, গ্রুপ খুলুন। এবং বিভিন্ন প্রোফাইল কিংবা ওয়েবসাইট রিলেটেড বিভিন্ন গ্রুপগুলোতে ওয়েবসাইটের প্রচার করুন। প্রতিদিন বিভিন্নভাবে ওয়েবসাইটকে প্রচার করুন। মনে রাখবেন যখন আপনি কোন কিছুর ব্রান্ডিংয়ের জন্য কাজ করবেন, তখণ শুধু একদিন গিয়ে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করলে সেটা কখনও ব্রান্ডিং হয়না। ব্রান্ডিং এর জন্য প্রতিদিনি বিভিন্নভাবে ওয়েবসাইটের লিংককে শেয়ার করতে হয়। তাহলেই আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ার সম্ভাবনা বাড়বে।
সময়ঃ প্রতিদিন ১ঘন্টা সময় লাগবে।

ব্লগ কমেন্ট করুনঃ


ভাল মানের ব্লগ কমেন্টিংয়ের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে প্রচুর ভিজিটর পাওয়া যায় এবং শক্তিশালী ব্যাকলিংকও পাওয়া যায়। যেই ওয়েবসাইটের ব্যাপারে এসইও করবেন, সেই ওয়েবসাইটের কনটেন্ট রিলেটেড কমপক্ষে ৫টি হাইপেজর‌্যাংকের ব্লগ নির্ধারণ করুন। সেইসব ব্লগগুলোর নিয়মিত ফলো করে নতুন নতুন আর্টিকেলে কমেন্টের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচার করুন। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০টি ভালমানের কমেন্ট করুন।
সময়ঃ প্রতিদিন সময় লাগবে ১ঘন্টা।

সোশ্যাল বুকমার্কঃ

নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটের সোশ্যাল বুকমার্ক করুন। কমপক্ষে ২০টি হাইপেজ র‌্যাংকিং সাইটে বুকমার্ক করুন। খুব সহজে এ কাজটি করা যায়। এটি আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলের সার্চে টপে আনতে অনেক সাহায্য করবে। তবে সরাসরি ভিজিটর পেতে খুব বেশি সাহায্য করেনা।
সময়ঃ বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করলে প্রতিদিন ২০টি সোশ্যালবুকমার্কিং করতে সময় লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট।

ফোরাম পোস্টিং:

ফোরাম পোস্টিং এর মাধ্যমে খুব ভালমানের ব্যাকলিংক পাওয়া যায়। সাথে সাথে টার্গেটেড ভিজিটর পাওয়া যায়। কোন নির্দিষ্ট দেশের ভিজিটর যদি চান কিংবা আপনার ওয়েবসাইটের সেবা কিংবা পণ্যের ক্রেতা হওয়া সম্ভাবনা আছে, এরকম টার্গেট করে ভিজিটর পেতে হলে ফোরাম পোস্টিং করে অনেক বেশি উপকার পাবেন। যদিও আমি কখনই কোন প্রজেক্টে ফোরাম পোস্টিং করিনাই। প্রতিদিন ৫টি হাই পেজ র‌্যাংকের ফোরামে ব্যাকলিংক করুন।
সময়ঃ প্রতিদিন ১ঘন্টা।
একটি ওয়েবসাইটকে গুগলের সার্চের টপে নিয়ে আসতে এ কাজগুলো একটানা ৩মাস করলেই হয়ে যাবে, আশা করা যায়। অনেক কীওয়ার্ডের ক্ষেত্রে হয়ত আরেকটু বেশি পরিশ্রম করতে হবে।
সবশেষঃ কোন ওয়েবসাইটকে গুগলের সার্চের টপে নিয়ে আসতে হলে আমি কি কি করি সেটা এবার উল্লেখ করি।
যেকোন ২-৩ মাস বয়সী ওয়েবসাইটকে এসইও করতে আমি বায়ারের কাছ থেকে ৩মাস সময় নেই।

এ ৩ মাসে কি কি করি, সেগুলো দেখেনঃ

  • ১) সোশ্যাল বুকমার্কিং (৩০০ প্রতি মাসে)
  • ২)   ডিরেক্টরী সাবমিশন (৩০০ প্রতি মাসে)
  • ৩)    ব্লগ তৈরি (২টি প্রতি মাসে)
  • ৪)   ব্লগ কমেন্ট (৩০ প্রতি মাসে)
  • ৫)   প্রেস রিলিজ (২টি প্রতি মাসে)
  • ৬)  সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (প্রতিদিন)
  • ৮) ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে ১টি করে পেজ তৈরি ও সেই পেজের জন্য কমপক্ষে ২০০০ লাইকের ব্যবস্থা
  • ৯) প্রতিটি গেস্ট পোস্ট, ব্লগ ইন্টারনেটে বিভিন্ন কমিউনিটিতে শেয়ার করা
এসইও সম্পর্কিত আমার অন্যান্য পোস্টগুলো থেকে ঘুরে আসতে পারেন।
এবারের পোস্টটি কেমন লাগল জানার জন্য অপেক্ষা করছি। আর শুধু নিজে না পড়ে অন্যদের সাথেও পোস্টটি শেয়ার করুন। সেজন্য আপনার ফেসবুক গ্রুপে গিয়ে আপনার নিজের ওয়ালে পোস্টটির লিংক শেয়ার করুন।
প্রশ্ন করার জন্য ফেসবুকগ্রুপে যোগাযোগ করুন: https://www.facebook.com/groups/creativeit/

@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@



SEO এর জন্য কিছু টিপস

Ads by Techtunes - tAds
Healthprior21 | Largest Medical Portal of Bangladesh
টেকটিউন্সের ভাইরা কেমন আছেন । নিয়মিত হচ্ছেন তো আপনারা । একটি ওয়েবসাইট কে রাঙ্কিং এ নিয়ে আসার জন্য অনেক প্রয়োজন  SEO । আজ আমি আপনাদের কিছু টিপস দিব। যা অনেক জানেন যারা জানেন তাদের জন্য নয় এটি।
১.বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করুন।
২.ওয়েবসাইটের টাইটেল ও বর্ণনা ঠিক মত লিখুন।
৩.ভালমত কিওয়ার্ড রিসার্চ করুন।
৪.বিভিন্ন ফোরাম এ যোগ দিন এবং  অনলাইন কমিউনিটিতে  অংশগ্রহণ করুন।
৫.বিভিন্ন ব্লগে গেস্ট পোস্ট করুন।
৬.সোশ্যাল বুকমারকিং করুন।
৭.SEO ফ্রেন্ডলি ডোমেইন নেয়ার চেষ্টা করুন।
৮.SEO ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট লিখুন।
৯.সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দিন।
১০.ইউনিক কনটেন্ট লিখুন।
আমার জন্য দোয়া করবেন।

 

No comments:

Post a Comment