Tuesday, December 31, 2013

এক্ষুনি আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কমিয়ে নিন

আস্‌সালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে ভালো আছেন। দুই দিন পর আবার আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি আপনাদের কাছে পোষ্টটি গুরুত্বপূর্ণই মনে হবে। আজকে আমি আপনাদের ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট সম্পর্কে একটু ধারণা দিব এবং কিভাবে বাউন্স রেট কমানো সম্ভব তাও জানাবো।
আপনি আপনার সাইটটি পুনঃতৈরী ব্যতীত কিভাবে বাউন্স রেট কমাবেন? অথবা একটু অন্যভাবে বললে, আপনি কিভাব ভিজিটরকে আপনার সাইটের অন্যান্য পেজে ভিজিট করতে প্রলুব্ধ করবেন? এটা আসলেই খুব সহজ। আসুন এই বার দেখি।
Bouncerate
খুব সহজেই এই বিষয়ে একটা উত্তর দেওয়া সম্ভব। কিন্তু মানুষ একটু বিস্তারিত দেখলেই মনে হয় ভালোভাবে বুঝতে পারে।
এখানে একটি চটজলদি প্রক্রিয়া দেখাচ্ছিঃ
 )          আপনার সাইটে হাইলি টার্গেটেড ওয়েবসাইটের ভিজিটর নিয়ে আসুন।
)          মাথা নষ্ট কন্টেন্ট তৈরী করুন। মাথা নষ্ট মানে খারাপ অর্থ না। অর্থাৎ খুব ভালো মানের কন্টেন্ট লিখুন।
)          আপনার সাইটের অন্যান্য পেজের সাথে ইন্টার্নাল লিঙ্ক ঠিক রাখুন। ভিজিটর যেন লিঙ্ক দেখে সেটিকেও যেন গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং সেই পেজেও যায়।
)          আপনার সাইটটি যেন খুব বেশী পরিমাণ ইউজার ফ্রেন্ডলী হয় এবং মানুষের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলুন।
)          ভিজিটর কেন আপনার সাইটে থাকবে এবং কেন আপনার সাইটে আবার ফিরে আসবে – পোষ্টের মাধ্যমে এমন মুন্সিয়ানার পরিচয় দিন।
আসুন হাই বাউন্স রেট কমানোর আরও কিছু নির্দেশনা একটু বিস্তারিত দেখে নেইঃ
 )          পেজ ডিলিট করে হাই বাউন্স রেট কমানঃ আপনি যদি আপনার সাইটের সকল পেজের জন্য বাউন্স রেটের দিকে একটু ভালোমত লক্ষ্য করে থাকেনই, তবে দেখবেন কিছু পেজ খুভ ভালো ফল দিচ্ছে আবার কিছু পেজ মোটেও না। অর্থাৎ, কিছু পেজে ভিজিটর আছে আবার কিছুতে একদমই নেই। তার মানে হচ্ছে আপনি এখনই সেই পেজগুলোকে ডিলিট করে বা সাইট থেকে বাদ দিয়ে হাই বাউন্স রেট কমিয়ে নিতে পারেন।
একটু অপেক্ষা করুন!!! আপনি কি আসলেই পেজগুলোকে বাদ দিয়ে দিবেন? এর উত্তরটাও আমি দিয়ে দিচ্ছি। অবশ্যই। যদি আপনার সাইটের পেজগুলো ভালো ফলাফল দিতে নাই পারে এবং আপনি যদি সেগুলোর উন্নতি ঘটাতেও ব্যর্থ হন তাহলে সেই পেজগুলো ব্যতিতই আপনার সাইট ভালো হবে। আপনার সাইটের বাজে পেজগুলো ভিজিটরকে ভালো পেজে যেতেও অনীহা প্রদান করবে। তাই আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে এক্ষুনি সাইটের অপ্রয়োজনীয়, কম তথ্য সম্বলিত বাজে পেজগুলোকে রিমুভ করে দিন।
)          কন্টেন্ট ডিলিট করে হাই বাউন্স রেট কমানঃ অনেকেই হয়তো মনে করে থাকেন যে, একটি বিশদ বর্ণনাযুক্ত সেল্‌স পেজ কম বর্ণনাযুক্ত সেল্‌স পেজ এর চেয়ে বেশী ভালো ফল প্রদান করে। মনে করুন, আপনি মিষ্টির দোকান থাকে মিষ্টি কিনবেন। সেই উদ্দেশ্যে কয়েক ঘন্টা সময় ব্যয় করে হাজার হাজার শব্দ ব্যবহার করে মিষ্টির বিবরণ সহকারে দোকানে তা প্রদান করলেন। কিন্তু আপনার পরিশ্রম তখনই বৃথা যাবে যখন দোকানী বা অন্য কাউকে দেখবেন আপনার দরকারি মিষ্টির নাম ব্যতিত বর্ণনা কেউ পড়েও দেখছে না। কি তাই নয় কি?
আমি এই বিষয়ে বলতে চাই, কন্টেন্ট এর মাধ্যমেও ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কমানো যেতে পারে। একটু “উপরের বর্ণনার” মিষ্টি তে যান। মিষ্টির বর্ণনা দরকার নাইতো, শুধু মিষ্টির নাম লিখুন এবং আপনার চাহিদা লিখুন। তাহলেই তো দোকানী বুঝে গেলো। আপনারো কষ্ট কম আর দোকানীও খুশী। বঙ্কিম মতে – “অপ্ল কথায় কাজ হইলে বেশী কথার দরকার কি?”
একটু রূপক ব্যবহার করেছি। আশা করি কারো বুঝতে সমস্যা হবে না। আর সমস্যা হলে কমেন্ট বক্স তো আছেই।
)          স্ট্রীমলাইনড্‌ বা গোছানো লে-আউটের মাধমে বাউন্স রেট কমানঃ আমি এমনটা দেখেছি, অনেক ওয়েবসাইটের লে-আউট ভালো হয় না। আপনার সাইটটিকে রিলেটেড এবং সফল একটি সাইটের সাথে একটু সময় নিয়ে তুলনা করে দেখুন। আপনি নিশ্চয়ই দেখবেন, যে ওই সাইটটির লে-আউট আপনার সাইট থেকে আরও ভালো, আরও স্ট্রিমলাইনড্‌। কিন্তু কেন? কারণ, একটি ভালো এবং গোছানো স্ট্রিমলাইনড্‌ লে-আউট মারাত্মক কাজে দেয়। একটি গোছানো লে-আউট ভিজিটরকে আপনার সাইটের কন্টেন্ট এর উপর ফোকাসড্‌ থাকতে সহায়তা করে। আর অগোছালো সাইট থেকে ভিজিটরকে আপনার সাইট থেকে দূরে ঠেলে দেয়। আপনার সাইটের নেভিগেশনের দিকে আলাদা করে লক্ষ্য রাখুন। আর্টিকেল এর নিচের দিকে অন্যান্য আর্টিকেল সম্পর্কে জানার ব্যবস্থা রাখুন যেন ভিজিটর তা দেখে এবং সেখানে যেতে প্রলুব্ধ হয়। ভালো আর্টিকেল এর মাঝখানে রিলেটেড অ্যাড এর ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ভিজিওটর যদি তা দেখে সেখানে যেতে চায় বা যেতে পারে।
সব কথার শেষ কথা, আপনি যদি আপনার ভিজিটরগণের দৃষ্টি খুব ভালোভাবে আকর্ষণ করতে সমর্থ হন, তবে আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমতে থাকবে।
অনেক সময় ধরে পকপকাইলাম। এই বার থামি। অনেকেই মনে হয় বাউন্স রেট দেখতে দেখতে বিরক্ত হইয়া গেছেন মামুরা। এইবার আমি খিচ খাই। যা কওনের আপনেরাই কন। (একটু মজার উদ্দেশ্যে অন্য রকম ভাষায় এইটুকু বললাম)।
সবাইকে ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

@@@@@@@@@@@@@@@@@@

বাউন্স রেট কি ও কিভাবে কমাবেন সাইটের বাউন্স রেট

আজ আমরা আলোচনা করব ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট নিয়ে। বাউন্স রেট যেকোন ওয়েবসাইটের জন্যই ক্ষতিকর । আপনারা অনেকেই হয়তো বাউন্স রেট সম্পর্কে জানেন । তারপরও চলুন আরো একবার জেনে নেওয়া যাক বাউন্স রেট কী? বাউন্স রেট হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের সেই সমস্ত ভিজিটরের শতকরা হার। যারা শুধু আপনার ওয়েবসাইটের প্রথম পেজে এসে আবার চলে যায়। কিন্তু ঐ সাইটের ভিতরের বা অন্যকোন পেজগুলি ভিজিট করে না।

ব্যাপারটি আসলেই হতাশাজনক কারন আপনি আপনার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সাইটের জন্য এসইও করেন সর্বোপরি আপনার সাইটের পিছনে যথেষ্ট সময় দেন অথচ ভিজিটর আপনার সাইটটি চোখের দেখা দেখেই চলে যায়। এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে।
গুগল অ্যানালিটিকস টুলসের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট ট্রাক করা যায়। এটি আপনার ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পেজের বাউন্স রেট প্রদর্শন করে। এছাড়াও আপনার ওয়েবসাইটে কিভাবে (অরগ্যানিক সার্চ, পেইড সার্চ ইত্যাদি) ভিজিটর আসে, আপনার সাইটের বিগত সময়ের বাউন্স রেটের পর্যালোচনা সহ অন্যান্য আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডাটা প্রদর্শন করে এছাড়াও অনেক তথ্য দেখায়। এগুলি দেখে আপনি খুব সহজেই আপনার সাইটের বাউন্স রেটের কারন বের করতে পারবেন।
সাধারণত বেশিরভাগ সাইটের বাউন্স রেটের হার ৫০% এর মত হয়ে থাকে। তবে এটিকে অতিক্রম করে যদি ৬০% হয় তাহলে সেটি একটু উদ্বিগ্ন হওয়ার মত । যদি আপনার সাইটের বাউন্স রেট এর চেয়েও বেশি হয় বা ৮০% এর মত হয় তাহলে এটি আপনার সাইটের জন্য একটি বিরাট সমস্যা। এর জন্য আপনার সাইটের রেপুটেশন খারাপ হয়ে যাবে এবং আপনার যদি এডসেন্স একাউন্ট থাকে তাহলে ওটাও ব্যান্ড হতে পারে।
বন্ধুরা, সমস্যা যেমন আছে তেমনি এর সমাধানও আছে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক আমাদের আলোচিত বাউন্স রেট বৃদ্ধির কারণ এবং তার সমাধান সমূহগুলি।
১. সাইটের ডিজাইন:
ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে “First Impression is the last impression”. সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে হলে আপনার সাইটকে এমনভাবে সাজাতে হবে যেন প্রথম দর্শনেই ভিজিটরদের আপনার সাইটটিকে ভাল লেগে যায়। আপনার সাইট যেন এনিমেশন বা অ্যাড দিয়ে ভরা না থাকে, এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় গ্রাফিকসের কারিকুরি দিয়ে সাইটকে ভিজিটরদের কাছে চোখ ধাঁধানো করতে যেয়ে যেন চোখের বিষ বানিয়ে না ফেলেন এ ‍দিকটি খেয়াল রাখবেন। চেষ্টা করুন আপনার সাইটে যেন স্বাভাবিক সৌন্দর্য বজায় থাকে, কৃত্রিমতার কোন প্রয়োজন নেই।
২. সঠিক তথ্য বা কী-ওয়ার্ড:
অনলাইন যে তথ্যের মহাসাগর এ ব্যাপারে কারো কোন দ্বিমত নেই। ভিজিটরগণ তার প্রয়োজনীয় বিষয়ের সঠিক তথ্যটি পেতে এক সাইট থেকে আরেক সাইটে ছোটাছুটি করে থাকেন। সুতরাং আপনি যদি এ তথ্যটি দিতে পারেন তাহলে ভিজিটর আপনার সাইট ছেড়ে যে সহজে যাবে সেটা বলে দেওয়া যায়। তবে সমস্যা যেটা হয় সেটা এরকম যেমন, ভিজিটর কোন কীওয়ার্ড ধরে আপনার সাইটে আসল কিন্তু দেখা গেল আপনার সাইটে ঐ সম্পর্কিত তথ্যটি পুরানো বা ভুল। আবার এমন ও হতে পারে আপনার লেখার মাধ্যমে সঠিকভাবে তথ্যটি প্রস্ফুটিত হয়নি। আর এসব কারনে ভিজিটর ফিরে যাবে এবং বাউন্স রেট বৃদ্ধি পেতে থাকবে। সুতরাং এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ আপনার সাইটটি যে বিষয়ের উপর সে বিষয়ের নতুন তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে আপনার সাইট আপডেট রাখুন। তাহলে ভিজিটর আপনার সাইট ছেড়ে যাবেনা। কারণ ভিজিটর মৌমাছির মত, যেখানে মধু পাবে সেখানেই থেকে যাবে।
৩. সাইটের লোডিং টাইম:
সাইট লোড হতে যদি সময় বেশি লাগে তাহলে আপনার সাইটের বাউন্স রেটের হার বৃদ্ধি পাবে। কারণ লোডিং টাইম বেশি লাগলে ভিজিটর আপনার সাইট ত্যাগ করবে।
৪. রিলেটেড পোস্ট না থাকা:
একজন ভিজিটর আপনার সাইটে ভিজিট করল এবং কোন একটি বিষয় সম্পর্কে জানল। এরপর সে স্বাভাবিকভাবেই চাইবে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য। তখন সে দেখবে উল্লেখিত বিষয়টির কোন রিলেটেড পোস্ট আছে কিনা। যদি রিলেটেড পোস্ট না থাকে তাহলে ভিজিটর অন্য কোন সাইটে যাবে স্বাভাবিকভাবেই। আর এভাবেই বাড়তে থাকবে আপনার সাইটের বাউন্স রেট। সুতরাং চেষ্টা করবেন যে কোন বিষয়ের উপর যথাসম্ভব বেশি তথ্যসমৃদ্ধ রিলেটেড পোস্ট রাখতে। এটা আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে সহায়ক হবে।
৫. সাইটে ভিজিটর গমন সহজতর না করা:
আপনার সাইটে ভিজিটরগণ যেন সহজে নেভিগেট করতে পারে এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। যেমন; আপনার সাইটে ফুটারে টপ পেজের লিঙ্ক দেওয়া যেন ভিজিটর এক ক্লিকেই পেজের উপরে ফিরে যেতে পারে। এছাড়াও আপনার সাইটে লোড হওয়ার পূর্বে যদি কোন স্প্ল্যাশ পেজ প্রদর্শন করে তাহলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনার সাইটের ভিজিটর ফিরে যাবে। সুতরাং বাউন্স রেট কমাতে হলে এসব স্প্ল্যাশ পেজ পরিহার করতে হবে যেন ভিজিটর সহজে আপনার সাইটে আসতে পারে।
৬. সাইটে ভিজিটরদের অংশগ্রহনের জন্য কোন অপশন না রাখা:
আপনার সাইটে এমন কিছু অপশন রাখবেন যেন সেখানে পাঠকেরা অংশগ্রহন করতে পারে এবং আলোচনার ঝড় তুলতে পারে। সর্বোপরি আপনার সাইটের ভিজিটরদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে ভিজিটর আপনার সাইটের প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং আপনার সাইটে বেশি সময় কাটাবে। ফলে আপনার সাইটের বাউন্স রেটের হার কমে যাবে।
৭. ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের আধিক্য থাকা:
আপনি খেয়াল রাখবেন আপনার সাইটে যেন অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন না থাকে। যেন এমন না হয় বিজ্ঞাপনের কারণে আপনার সাইটের মূল পোস্টই দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। তাহলে ভিজিটরগণ আপনার সাইটে আসাটাকে স্বাভাবিকভাবেই সময় নষ্ট হিসাবে বিবেচনা করবে। সুতরাং আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে হলে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন থেকে বিরত থাকতে হবে।
৮. পাঠকের জন্য নয় বরং সার্চ ইঞ্জিনের জন্য পোস্ট করা:
এটা একটা বড় ধরনের ভুল। কেউ যদি এসইও এর কথা চিন্তা করে কোন পোস্ট লিখতে গিয়ে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড ব্যবহার করে তাহলে সেটি ভিজিটরদের কাছেও যেমন অখাদ্যে পরিণত হবে তেমনি সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও স্প্যাম হিসাবে বিবেচিত হবে। সুতরাং আপনার সাইটে ভিজিটর ধরে রাখার জন্য তথা সাইটের বাউন্স রেট কমানোর জন্য আপনাকে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড পরিহার করে সুন্দরভাবে পোস্ট লিখতে হবে।
উপরোক্ত বিষয়গুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারলে আপনি আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমাতে পারবেন আশা করি।

 

No comments:

Post a Comment