এই পর্বে অফপেইজ অপটিমাইজেশন এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্যাকলিংক তৈরি করা সম্পর্কে জানবো।
ব্যাকলিংক
বলতে আমরা কী বুঝি? সহজ সরল ভাবে বলতে গেলে নিজের সাইটের ঠিকানা অন্য কোন
হাইর্যাঙ্ক সাইটে দিয়ে আসাকে বোঝায়। এটি কোন ফোরাম হতে পারে আবার ব্লগ
সাইটত্ত হতে পারে। গুগলের মানদন্ডে ৫-১০ পর্যন্ত সাইটগুলোর কদর বেশি।
তাই
সব সময় এই হাইর্যাঙ্ক সাইটে ব্যাকলিংক তৈরি করা উচিত। এতে করে সার্চ
ইঞ্জিনের কাছে আপনার সাইটের কদর বাড়বে এবং সহজেই আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনের
প্রথম দিকে চলে আসবে। ধীরে ধীরে সাইটের র্যাঙ্ক বাড়বে।
কিন্তু ব্যাকলিংক তৈরি করতে গিয়ে যেখানে সেখানে স্প্যাম করা ঠিক নয়।
এতে
করে লাভের চেয়ে ক্ষতির হারই বেশি হবে। যাই হোক এখন আমরা ব্যাকলিংক কী কী
পদ্ধতি অনুসরণ করে তৈরি করা হয়ে থাকে সেই সম্পর্কে আলোচনা করবো। আলোচনার
শুরুতেই আমরা বলেছি যে হাইর্যাঙ্ক কোন সাইটে নিজের সাইটের ঠিকানা রেখে এলে
সেই সাইটের সাথে আপনার সাইটের যে যোগসূত্র তৈরি হয়ে খাকে সেটিই ব্যাকলিংক
নামে পরিচিত।
বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে ব্যাকলিংক তৈরি করা হয়। এর মধ্যে ব্লগ কমেন্ট অন্যতম। মনে করা যাক একটি সাইটে কোন মুভি আপনার ভালো লেগেছে।
এখন
সাইটটির পেজর্যাঙ্ক ৫-১০ এর মধ্যে। সাইটটি যদি ব্লগ সাইট হয় মন্তব্য করার
সুযোগ থাকে তা হলে মন্তব্য করুন। নাম মেইল ঠিকানা এবং নিজের সাইটের ঠিকানা
দিন। বিষয় সংশ্লিষ্ট মন্তব্য করুন।
স্প্যাম
করবেন না। কেননা সাইটের মডারেটর স্প্যাপ এড়িয়ে চলে সব সময়। মন্তব্যটি
গৃহীত হলে একটি ব্যাকলিংক পাবেন। আর একটি কথা মনে রাখা প্রয়োজন প্রতিটি
পোস্টের প্রথম দিকে মন্তব্য করলে সেখান থেকে ভিজিটর পাত্তয়া সম্ভব। কারণ
প্রথম দিকের মন্তব্যকারীদের ভিজিটরগণ মূল্য দিয়ে থাকে বেশি।
1 comment:
good likhchen
Post a Comment